Suvendu Adhikari’s PA Murder Case

শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত! উত্তরপ্রদেশ থেকে ধৃতদের আনা হল কলকাতায়

চন্দ্রনাথ খুনের তদন্তে ইতিমধ্যে একটি সিট গঠিত হয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের একটি দল উত্তরপ্রদেশেও হানা দিয়েছিল। রবিবার রাতে উত্তরপ্রদেশ থেকেই গ্রেফতার করা হয় তিন অভিযুক্তকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ০৯:১২
চন্দ্রনাথ রথ। গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে খুন হন তিনি।

চন্দ্রনাথ রথ। গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে খুন হন তিনি। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডে তিন জনকে গ্রেফতার করল তদন্তকারী দল। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই তিন সন্দেহভাজনকে। চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠিত হয়েছে। সেই সিটের একটি দল আততায়ীদের খোঁজে হানা দিয়েছিল উত্তরপ্রদেশে। রবিবার রাতে এক বিশেষ অভিযানে সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় তিন সন্দেহভাজনকে। ধৃতদের ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

Advertisement

গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথকে গুলি করে খুন করা হয়। চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে অন্য একটি চারচাকার গাড়ি চলে এসেছিল। তার ফলে চন্দ্রনাথের গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়। সেই সময় দু’পাশ থেকে দু’টি বাইকে চেপে আসে দুষ্কৃতীরা। চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালককে লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই চন্দ্রনাথের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর গাড়ির চালক এখনও হাসপাতালে।

চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে যে সিট গঠিত হয়েছে, তাতে এসটিএফ এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি-র আধিকারিকেরাও আছেন। যে গাড়িটি খুনে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটি ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা মনে করছেন। ওই গাড়ি থেকে বালি টোলপ্লাজায় অনলাইনে টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু হয় বলে সূত্রের খবর।

পুলিশ সূত্রে খবর, অন্তত এক-দেড় মাস আগে থেকে চন্দ্রনাথকে খুনের ছক কষা হয়েছিল। সেই সময়ে তাঁকে হত্যা করার মতো কারণ কার কার থাকতে পারে, কারও সঙ্গে চন্দ্রনাথের বচসা হয়েছিল কি না, দেখা হচ্ছে। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঘটনার দিনই বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। তাতে যে নম্বরপ্লেটটি রয়েছে, সেটি ভুয়ো। এর পর দুষ্কৃতীদের দু’টি বাইকও উদ্ধার করা হয়। তবে দু’টি বাইকেরই নম্বরপ্লেট ভুয়ো বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন