West Bengal Elections 2026

ভোটের নজর দারিতে ফ্লাইং স্কোয়াড টিমের অঙ্গ হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

লালবাজার সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশ এলাকার ১৭টি পূর্ণাঙ্গ বিধানসভা কেন্দ্র ও দু’টি আংশিক বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৭৬টি এফএসটি এবং সমসংখ্যক এসএসটি দল তৈরি করা হয়েছে।

শিবাজী দে সরকার
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ০৫:৫১
কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ। ফাইল চিত্র।

এ বার থেকে ভোটের নজরদারির জন্য গঠিত ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (এফএসটি) এবং স্ট্যাটিক সার্ভেল্যান্স টিম (এসএসটি)-এর অঙ্গ হবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। আপাতত ঠিক হয়েছে, প্রতিটি দলে হাফ সেকশন, অর্থাৎ চার জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের কর্মীদের দেখা গিয়েছে এফএসটি ও এসএসটি দলে।

সূত্রের দাবি, শীঘ্র ওই দলে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। একই সঙ্গে, এফএসটি ও এসএসটি দল যে গাড়িতে থাকবে, তাতে জিপিএস লাগাতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ, শহরের কোন কোন এলাকায় ওই দল ঘুরছে, তা জিপিএসের মাধ্যমে নজরদারি করা যাবে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। ভোটের সময়ে যে সব গাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তাতেও জিপিএস লাগানো হতে পারে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দেওয়া হচ্ছে বডি ক্যামেরা।

লালবাজার সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশ এলাকার ১৭টি পূর্ণাঙ্গ বিধানসভা কেন্দ্র ও দু’টি আংশিক বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৭৬টি এফএসটি এবং সমসংখ্যক এসএসটি দল তৈরি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার পরে তারা বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে তল্লাশি ও নজরদারি শুরু করেছে। বর্তমানে কলকাতা পুলিশের এক জন অফিসার, দু’জন পুলিশকর্মীকে নিয়ে ওই নজরদারি চালাচ্ছে এফএসটি এবং এসএসটি দল। বুধবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, ওই দলে দু’জন পুলিশকর্মীর বদলে চার জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। অনুমান, আজ, শুক্রবার থেকেই তল্লাশি ও নজরদারিতে লিপ্ত এফএসটি এবং এসএসটি দলে অংশ নেবেন ওই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।

বর্তমানে দু’দফায় কলকাতা পুলিশ এলাকায় রয়েছে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। যারা প্রতিদিন কলকাতা পুলিশের অধীন ৮০টি থানা এলাকায় সকাল-বিকেল টহল দিচ্ছে। সংবেদনশীল এলাকায় গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাঁদের কেউ ভয় দেখাচ্ছেন কিনা, তা নিয়ে খোঁজ করছেন। পুলিশের দাবি, এর ফলে ভীত ভোটারদের আতঙ্ক দূর হবে।

লালবাজার জানিয়েছে, এফএসটি ও এসএসটি দলের উপরে নজরদারি চালাতে তাঁদের গাড়িতে জিপিএস লাগানো হচ্ছে। দল কোথায় কোথায় ঘুরে নজরদারি চালাচ্ছে, তা দেখতে গাড়িতে জিপিএস ব্যবহার হবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের কর্তারা এফএসটি ও এসএসটি নজরদারি গাড়িগুলির লাইভ লোকেশন জানতে পারবেন।

এক পুলিশকর্তা জানান, বিরোধীরা অভিযোগ করে, বাহিনীকে ব্যবহার না করে বসিয়ে রাখা হয়েছে। জিপিএস গাড়িতে থাকায় বাহিনীর অবস্থান বোঝা যাবে। গোলমালের খবর এলে কোন গাড়ি ঘটনাস্থলের কাছে আছে, জিপিএস দেখে সেটা বুঝে ঘটনাস্থলে গাড়ি পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন