(বাঁ দিকে) কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাস। (ডান দিকে) সোনা পাপ্পু। —ফাইল চিত্র।
কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতে হানা দেওয়ার পর এ বার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু তা-ই নয়, পুলিশ আধিকারিকের দুই পুত্রকেও তলব করা হয়েছে।
ইডি-র একটি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা সোনা পাপ্পু এবং বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুর ‘যোগসূত্র’-এর ইঙ্গিত মিলেছে। শান্তনুর দুই পুত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের সঙ্গেও জয়ের পরিচয় রয়েছে। ধৃত প্রোমোটারের সঙ্গে পুলিশ আধিকারিক বা তাঁর দুই পুত্রের কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না, তদন্ত করে দেখতে চান ইডি আধিকারিকেরা। সে জন্যই তলব করা হয়েছে পিতা-পুত্রকে।
অন্য দিকে, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ধৃত জয়ের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। রবিবার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর জয়কে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু তাঁকে এখনও আদালতে হাজির করানো যায়নি। অসুস্থ হয়ে পড়ায় বেহালার ব্যবসায়ীকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। সোমবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হতে পারে।
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগে বালিগঞ্জে একটি গোলমালের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ওই ঘটনায় এর আগে এক আইপিএস অফিসারকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। রবিবার ডিসি-র ফার্ন রোডের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালান তদন্তকারীরা। ইডি-র দাবি, সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না শান্তনু। কিন্তু শান্তনুর এক পুত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি-র আধিকারিকেরা।