ছবি: সংগৃহীত।
বিধাননগরের করুণাময়ীর কাছে আনন্দলোক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড! মঙ্গলবার সকালে এ নিয়ে শোরগোল এলাকায়। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকলবাহিনী। ইতিমধ্যে রোগীদের স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।
কী ভাবে আগুন লেগেছে,পরিষ্কার নয়। তবে পুলিশের একটি সূত্রে খবর, এসি-তে শর্টশার্কিটের জেরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আনন্দলোক হাসপাতালের দ্বিতলে আগুন দেখা যায় প্রথমে। রাস্তা থেকে আগুন এবং কালো ধোঁয়া দেখতে পান পথচারীরা। খবর যায় দমকলের কাছে। তার কিছু ক্ষণের মধ্যে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। তত ক্ষণে অবশ্য হাসপাতালের দ্বিতলের অপারেশন থিয়েটারের একাংশ আগুনের গ্রাসে। দমকলের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়েরাও আগুন নেবানোর কাজে হাত লাগান। সেই সঙ্গে রোগীদের বার করে আনার তোড়জোড় শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।
হাসপাতালের কর্মীদের একাংশ জানিয়েছেন, ৭০-৭৫ জন রোগীকে স্থানান্তর করা হয়েছে আনন্দলোকের অন্য ভবনে। তাঁরা সকলে সুরক্ষিত রয়েছেন। হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, ‘‘পুরো ভবনের দোতলা, তিনতলায় যেখানে যত জন রোগী ভর্তি ছিলেন, সকলকে আমরা উদ্ধার করেছি। ৪০-৪৫ জনকে বার করে আনা হয়েছে।’’ ডলি রায় নামে আর এক কর্মী জানান, সব মিলিয়ে ৭০-৭৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। রোগীরা সুরক্ষিত। তবে স্বাভাবিক ভাবে পুরো ঘটনায় আতঙ্কিত রোগী এবং পরিজনেরা। কী ভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
সকাল ১১টা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। দমকলবাহিনী কাজ করে চলেছে। অগ্নিকাণ্ড নিয়ে হাসপাতালের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি মেলেনি। তাই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও স্পষ্ট নয়। হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের তরফে সঞ্জয় হাজিরায় বলেন, ‘‘এসি থেকেই আগুন লেগেছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। প্রাণহানির কোনও ঘটনা ঘটেনি। রোগীরা প্রত্যেকেই সুরক্ষিত। আগুন নিবে গিয়েছে। এখন ধোঁয়া রয়েছে।’’ তবে বিধাননগররের ডিসি (ট্রাফিক) মীত কুমার বলেন, ‘‘আগুন লাগার কারণ স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে স্থানীয়েরা আগুন নেবানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকল যায়। কী কারণে অগ্নিকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখা হবে।’’