Kolkata Municipal Election

অনলাইন আবেদনেও বছর পার! বিক্ষোভে এলবিএস-রা

পুরসভার নয়া নিয়ম, পুরনো বাড়ির বর্জ্য নিউ টাউনের কাছে কারখানায় ফেলতে হবে। তা সরাতে পুরসভাকে ফি দিতে হবে। এলবিএস-দের অভিযোগ, ‘‘বহু ক্ষেত্রে পুরসভাকে টাকা দিলেও সময়ে বর্জ্য সরছে না। আবার নিজেই সামগ্রী সরালে তাঁর বাড়ির সিসি আটকে দেওয়া হচ্ছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ০৯:১১
কলকাতা পুরসভা।

কলকাতা পুরসভা। —ফাইল চিত্র।

বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করলে এক মাসের মধ্যে অনুমোদন মেলার কথা। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে বছর চারেক আগে কলকাতা পুরসভা ‘ই ও ডি বি’ (ইজ় অব ডুয়িং বিজনেস) চালু করেছে। অর্থাৎ, নয়া নির্মাণে প্রয়োজনীয় একাধিক দফতরের ছাড়পত্র একটি আবেদনেই দ্রুত পাওয়া যাবে। অভিযোগ, একাধিক দফতরের গাফিলতিতে ৩০০ দিনেও অনুমোদন মিলছে না। উল্টে বাড়তি ফি দিতে হচ্ছে। এর সমাধানে বুধবার কলকাতা পুরসভার এলবিএস-রা (লাইসেন্সড বিল্ডিং সার্ভেয়র) ডিজি (বিল্ডিং)-এর ঘরে বিক্ষোভ দেখান। পুরসভার এলবিএস সংগঠনের তরফে ডিজি-কে (বিল্ডিং) স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ডিজি বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ওঠে।

‘ই ও ডি বি’ প্রক্রিয়া চালু করতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মেয়র ফিরহাদ হাকিম টাউন হলে পুরসভার বিভিন্ন দফতরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পুরসভার এলবিএস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মানসমোহন গুহ মজুমদারের অভিযোগ, ‘‘কিছু ক্ষেত্রে সার্ভে এবং নিকাশির গড়িমসিতে অনলাইনে আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলে রয়েছে। নকশা অনুমোদন অনলাইনে করেও কাজ হচ্ছে না। মানুষ আমাদের মাধ্যমে বাড়ি তৈরির আবেদন করছেন। ফলত আমরাও হেনস্থা হচ্ছি।’’

পুরসভার নয়া নিয়ম, পুরনো বাড়ির বর্জ্য নিউ টাউনের কাছে কারখানায় ফেলতে হবে। তা সরাতে পুরসভাকে ফি দিতে হবে। এলবিএস-দের অভিযোগ, ‘‘বহু ক্ষেত্রে পুরসভাকে টাকা দিলেও সময়ে বর্জ্য সরছে না। আবার নিজেই সামগ্রী সরালে তাঁর বাড়ির সিসি আটকে দেওয়া হচ্ছে।’’ বিষয়টি জানতে ডিজি (বিল্ডিং) উজ্জ্বল সরকারকে ফোন করা হলে ধরেননি। এসএমএস বা ওয়টস্যাপেও উত্তর মেলেনি।

আরও পড়ুন