—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
যানজট কমিয়ে পথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উন্নত ট্র্যাফিক ব্যবস্থার লক্ষ্যে শহরের ২৬টি জায়গা বেছে নিল লালবাজার। সূত্রেরখবর, সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলির বেশির ভাগই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণমোড় অথবা সদাব্যস্ত রাস্তা। যেখানে দিনের বেশির ভাগ সময়ে গাড়ির গতি থাকে শ্লথ। পাশাপাশি, রাস্তা পেরোতেও বেগ পেতে হয় পথচারীদের। তাই পথ নিরাপত্তাএবং উন্নত ট্র্যাফিক ব্যবস্থার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট রাস্তায় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়, তার জন্য ওই সব জায়গার দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে ট্র্যাফিক বিভাগের ১৩ জন সহকারী নগরপালের মধ্যে।
ট্র্যাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জানান, এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার লালবাজারে বৈঠক হয়। সহকারী নগরপালদের আওতায় থাকা এলাকার কোথায় কোথায় ট্র্যাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা যায়, তার একটি তালিকা চাওয়া হয়েছিল। সেই তালিকা ধরেই এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, বৈঠকে সহকারী নগরপালদের বলা হয়েছে, তাঁদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে যান চলাচল মসৃণ করতে এবং পথচারীদের স্বার্থে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তার রূপরেখা তৈরি করতে। সেটি কার্যকর করার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ট্র্যাফিক গার্ডের উপরে। তবে, পুরো বিষয়টির তদারকি করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী নগরপালই। সূত্রের দাবি, গাড়ির গতি যাতে বাধা না পায়, তার জন্য রাস্তার একাংশে গার্ডরেল বসিয়ে গাড়ি চলাচল করানো হতে পারে। যদি কোথাও ফুট ওভারব্রিজ বা ভূগর্ভ পথের প্রয়োজন হয়, সহকারী নগরপালেরা সেই সুপারিশও করতে পারবেন।
লালবাজারের তরফে যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে রাসবিহারী মোড়, চিংড়িঘাটা মোড়, মানিকতলা মোড়, মহাত্মা গান্ধী রোড এবং চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থল, বেহালা চৌরাস্তা, এ জে সি বসু রোড, ডি এল খান রোড, গড়িয়াহাট ও রুবি মোড়ের মতো সদাব্যস্ত এলাকা। এ ছাড়াও ওই তালিকায় রয়েছে মৌলালি থেকে এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত এ জে সি বসু রোডের অংশ। পুলিশের একাংশের মতে, এই মোড় এবং এলাকাগুলিতে বহু মানুষ রাস্তা পারাপার করেন। গাড়ি নিয়ে পেরোতে গিয়েও বহু সময়ে পড়তে হয় যানজটের কবলে। তাই সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলির উপরে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে সেখানকার ট্র্যাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য বলা হয়েছে।