নির্বাচন সদনের ভিতরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন ‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত’রা। ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের। জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও দুই নির্বাচন কমিশনারও রয়েছেন সোমবারের বৈঠকে।
জীবিত হলেও নির্বাচন কমিশনের খাতায় ‘মৃত’, এমন ৫০ জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। এ ছাড়া, নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরও ৫০ জনকে যাঁদের পরিবারের কোনও না কোনও সদস্য ‘এসআইআর-এর কারণে’ মারা গিয়েছেন। ‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত’দের মধ্যে ১২ জনকে নিয়ে কমিশনের দফতরে যান মমতা, অভিষেক। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতার সঙ্গে রয়েছেন ‘এসআইআরের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত’দের কয়েক জন। সকলের পরনেই কালো পোশাক। কারও পরনে কালো চাদর, কেউ আবার পরেছেন কালো সোয়েটার। সাধারণ ভাবে প্রতিবাদের প্রতীক হিসাবে কালো পোশাক ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
আর কিছু ক্ষণ পরেই কমিশনে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
বিকেল ৪টের পর নির্বাচন সদনে পৌঁছোলেন মমতা। সঙ্গে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সকলের পরনেই কালো পোশাক।
সোমবার সকাল থেকে বঙ্গভবনের সামনে আচমকাই দিল্লি পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়ে। অভিযোগ, এলাকা পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। বঙ্গভবন ঘিরে রাখা হয়েছে এবং ভিতরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই খবর পেয়েই সেখানে ছুটে যান মমতা। কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শুরুর আগে থেকেই রাজধানীতে যুদ্ধের আবহ প্রস্তুত করে দেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজ চলছে। প্রথম থেকেই তৃণমূল এর বিরুদ্ধে সরব। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য সোমবার বিকেল ৪টেয় নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে সময় দিয়েছে। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই দিল্লিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।