Egra

বিস্ফোরণে অভিযুক্তের নাতি পদে, শুরু বিতর্ক

২০২৩ সালের ১৭ মে ভানুর বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। অভিযুক্ত হিসেবে ভানুর স্ত্রী, ছেলে, ভাইপো-সহ পাঁচ জনকে ধরা হয়েছিল। এখন সবাই জামিনে মুক্ত।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:২০

— প্রতীকী চিত্র।

পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ওই কারবারের মাথা কৃষ্ণপদ ওরফে ভানু বাগ-সহ মৃত্যু হয় ১১ জনের। সেই ভানুর নাতি যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি হওয়ায় বেধেছে বিতর্ক।

২০২৩ সালের ১৭ মে ভানুর বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। অভিযুক্ত হিসেবে ভানুর স্ত্রী, ছেলে, ভাইপো-সহ পাঁচ জনকে ধরা হয়েছিল। এখন সবাই জামিনে মুক্ত। গোপীনাথপুরে ভানুর ছেলে পৃথ্বীজিতের জৈব সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানা ওই সময় বন্ধ হলেও, পরে চালু হয়। পৃথ্বীজিতের ছেলে সুদীপ্ত বাগকে সম্প্রতি যুব তৃণমূলের সাহাড়া অঞ্চল সভাপতি করা হয়েছে। গ্রামের অনেকের আশঙ্কা, পরিবারটির শাসক-ঘনিষ্ঠতার জেরে ফের না বাজির বেআইনি কারবার শুরু হয়!

ওই বেআইনি বাজি কারখানার ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছিলেন সাহাড়া পঞ্চায়েতের তৎকালীন তৃণমূল প্রধান শান্তিলতা দাস। ২০১৮ সালে খাদিকুল থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে হারেন সুদীপ্তর মা কবিতা। রামনগর কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক সুদীপ্তও কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) করতেন। গত বছর তাঁকে খাদিকুল বুথের যুব তৃণমূল সভাপতি করা হয়। সুদীপ্ত বলছেন, “ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় আমি অভিযুক্ত নই। আমাকে দল বেছেছে। এতে দলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়বে না।”

বিজেপির যুব মোর্চার মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি আশীর্বাদ ভৌমিকের কটাক্ষ, “এঁরাই তৃণমূলের সম্পদ। এঁদের থেকে টাকা না তুললে, দল চলবে কী করে! তাই এতগুলো মানুষকে মেরে ফেলায় যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদের পরিবারের ছেলেকে ভোটের আগে তৃণমূল পদ দিয়েছে।” এগরা-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সত্য চক্রবর্তীর অবশ্য দাবি, “অতীতে পরিবারের কেউ খারাপ ঘটনায় জড়িত ছিল বলে সকলেই খারাপ হবে, এমন নয়।” যুব তৃণমূলের (কাঁথি) জেলা সভাপতি জালাউদ্দিন খান বলেন “ওই যুবকের সঙ্গে পরিচয় নেই। ব্লক নেতৃত্ব নাম পাঠিয়েছিলেন। অনুমোদন দিয়েছি।”

আরও পড়ুন