Migrant Labour Died in UP

উত্তরপ্রদেশে অস্বাভাবিক মৃত্যু সিঙ্গুরের পরিযায়ী শ্রমিকের! খুন করা হয়েছে, অভিযোগ পরিবারের

মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। যুবকের মায়ের দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য সইদুল্লাকে হেনস্থা করা হত। এই ঘটনায় বিজেপিকে তোপ দেগেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩৫
শেখ সইদুল্লা।

শেখ সইদুল্লা। —ফাইল চিত্র।

উত্তরপ্রদেশে অস্বাভাবিক মৃত্যু হল সিঙ্গুরের পরিযায়ী শ্রমিকের। শেখ সইদুল্লা নামের ওই শ্রমিকের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। মৃত যুবকের মায়ের দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য সইদুল্লাকে হেনস্থা করা হত। এই ঘটনায় বিজেপিকে তোপ দেগেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল।

Advertisement

সিঙ্গুরের গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের পায়রাউড়া গ্রামের বাসিন্দা সইদুল্লা। বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবক কর্মসূত্রে বিহারের অরাইয়া জেলায় থাকতেন। সেখানকার শরাফা মার্কেটে জুয়েলারির কাজ করতেন তিনি। সইদুল্লাই স্ত্রীও সেখানে থাকতেন। কয়েক দিন আগে সইদুল্লা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে এসআইআর-শুনানির নোটিস গিয়েছিল।

শুনানিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে সইদুল্লার স্ত্রী মঙ্গলবার তিন বছরের পুত্রসন্তানকে নিয়ে সিঙ্গুরে ফিরে আসেন। দু’দিন পর ফেরার কথা ছিল সইদুলেরও। কিন্তু বুধবার উত্তরপ্রদেশের ভাড়াবাড়ি থেকে তাঁকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ইতিমধ্যেই দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সইদুলের দেহ নিয়ে আসা হয় সিঙ্গুরের বাড়িতে। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনেরা। সইদুলের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক করবী মান্না।

সইদুল্লার পরিবারের দাবি, তাঁর দেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই সূত্রেই তাদের দাবি, সইদুল্লাকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন হরিপালের বিধায়ক করবী।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতরও শুরু হয়েছে। করবী বলেন, “বিজেপিশাসিত রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে। রাজ্যের ছেলেরা ভিন রাজ্যে কাজে যেতে ভয় পাচ্ছে। অথচ এখানে অন্য রাজ্যের ছেলেরা ভাল ভাবে কাজ করছে। সইদুল্লাকে খুন করা হয়েছে। বিজেপিকে ধিক্কার জানাই।” বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূল মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে।

Advertisement
আরও পড়ুন