Murshidabad Incident

ফোন করে ডেকেছিল বন্ধুরা, ফেরার পথে খুন বহরমপুরের কিশোর! স্থানীয় নাবালিকার সঙ্গে বন্ধুত্বের জের?

মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার সুপার শচীন মক্কার জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বেশ কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:১৬
Allegations have been raised regarding the murder of a teenager in Berhampore

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক কিশোরকে খুনের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। ওই কিশোরের গলা, বুকে ছুরির একাধিক কোপের চিহ্ন পাওয়া যায়। কে বা কারা, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পুলিশ মৃতের দুই বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করেছে।

Advertisement

মৃতের নাম ফারহাদ বাদশা (১৭)। তার বাড়ি বহরমপুর থানা এলাকার কর্ণসুবর্ণের মাঝিরহাট গ্রামে। সে স্থানীয় স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। পরিবার সূত্রে খবর, শনিবার সকালে ফারহাদ স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল। সেই সময় গ্রামের বাসিন্দা তথা তার বন্ধু আরিফ হোসেন তাকে ফোন করে কলাবাগান-পার্বতীপুরে যেতে বলে। সেখানে তাদের আর এক বন্ধু সাগর শেখের মামার বাড়ি। সেখান থেকে সাগরকে আনতেই ফারহাদকে ডেকেছিল আরিফ, দাবি মৃতের দিদিমা রুনা লায়লার।

অভিযোগ, বাইকে চেপে যখন তিন বন্ধু গ্রামে ফিরছিল তখন তাদের পথ আটকায় কয়েক জন দুষ্কৃতী। বাইক থেকে নামিয়ে বাস্তবখালি এলাকায় ফারহাদকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায় অভিযুক্তেরা। রক্তাক্ত অবস্থায় ফারহাদকে প্রথমে জীবন্তি হল্ট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে দ্রুত কর্ণসুবর্ণ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় ফারহাদের।

পরিবারের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে সাহিল শেখ এবং তার দলবল। তবে এই সাহিলের সঙ্গে ফারহাদের কী সম্পর্ক ছিল, কেন হামলা চালিয়েছে— সে সম্পর্কে পরিবারের তরফে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। কী ঘটেছিল, প্রকৃত কারণ জানতে মৃতের দুই বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার সুপার শচীন মক্কার জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বেশ কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, ফারহাদের সঙ্গে এক নাবালিকার বন্ধুত্ব ছিল। সেই বন্ধুত্ব অভিযুক্তদের ঈর্ষার কারণ ছিল। অনুমান, সেই থেকে খুনের ঘটনা ঘটতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন