Krishnanagar Student Death case

কৃষ্ণনগরে ছাত্রী খুন: ঈশিতার মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে মায়ের সাক্ষ্য, শনিবার সাক্ষ্য দেবে নিহতের ভাই

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কৃষ্ণনগর এডিজে আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে সাক্ষ্যদান প্রক্রিয়া শুরু হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৫৯
গত ২৫ অগস্ট নিজের বাড়িতে খুন হন কলেজছাত্রী ঈশিতা মল্লিক।

গত ২৫ অগস্ট নিজের বাড়িতে খুন হন কলেজছাত্রী ঈশিতা মল্লিক। —ফাইল চিত্র।

কৃষ্ণনগরের কলেজছাত্রী ঈশিতা মল্লিকের খুনের ঘটনায় আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন তাঁর মা। শুক্রবার কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের চতুর্থ ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারক সুস্মিতা গায়েনের এজলাসে অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যদান প্রক্রিয়া শেষ হয়। শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার পর ফের একবার মুখোমুখি হয় নিহত ছাত্রীর মা ও প্রধান অভিযুক্ত দেশরাজ সিংহ।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কৃষ্ণনগর এডিজে আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে সাক্ষ্যদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচারক সুস্মিতা গায়েনের এজলাসে সাক্ষ্য দেন ঈশিতার মা কুসুম মল্লিক। সরকারি আইনজীবী সুবেদী সান্যাল আদালত কক্ষে ঈশিতার মাকে ঘটনার দিন ঠিক কী কী ঘটেছিল পূর্ণাঙ্গ ভাবে জানানোর জন্য বলেন। সে দিনের ঘটনার বর্ণনা করেন কুসুম। যদিও অভিযুক্তের আইনজীবী বেশ কিছু জায়গায় আপত্তি করেন বলে জানা গিয়েছে। আদালত কক্ষে দেশরাজ সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হয়, কুসুমকে। তিনি যথাযথ উত্তর দিয়েছেন বলেই খবর। এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে আদালতে নিয়মিত শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার নিহত ছাত্রীর ভাই ঘটনার অন্যতম সাক্ষী। সে আদালত কক্ষে সাক্ষ্য দেবে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের চার্জশিট অনুযায়ী, মূল অভিযুক্ত দেশরাজের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৩, ১০৯ এবং ৬১ ধারা ও অস্ত্র আইনের ২৫ এবং ২৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দেশরাজের বাবা রাঘবেন্দ্রর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩, ২০৩ এবং ৬১ ধারায় মামলা করা হয়েছে। এবং মামা কুলদীপের ২৫৩, ৩৩৮, ৩৩৬, ৬১ ও ১০৩ ধারায় অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

পুলিশ চার্জশিটের সঙ্গে একাধিক তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছে আদালতে। মোট ২১ জন সাক্ষীর বয়ান রয়েছে তাতে। এ ছাড়াও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং ঘটনা পুনর্নির্মাণ সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণও চার্জশিটের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ এবং আদালত সূত্রে খবর।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগর উইমেন্স কলেজ সংলগ্ন তাঁর নিজের বাড়িতে গুলি করে খুন করা হয় ঈশিতাকে। অভিযোগ, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা দেশরাজ গুলি করে খুন করেন ওই কলেজছাত্রীকে। এর পর নেপাল সীমান্ত থেকে ওই যুবককে গ্রফতার করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার হন তাঁর বাবা এবং মামাও। ওই দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযুক্তকে আশ্রয় এবং সাহায্যের অভিযোগ ওঠে।

Advertisement
আরও পড়ুন