Humayun Kabir

এ বার হুমায়ুনের বিরুদ্ধে পুকুর দখলের অভিযোগ! পুলিশ গিয়ে এক লক্ষ টাকার মাছ বিলিয়ে দিল গ্রামবাসীদের

বিধায়ক হুমায়ুন জানান, তাঁর ইজারা নেওয়া পুকুরে বৃহস্পতিবার সকালে মাছ ধরছিলেন জেলেরা। সেই সময় শক্তিপুর থানার ওসি বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এলাকায় যান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ২১:২৯
হুমায়ুন কবীর।

হুমায়ুন কবীর। — ফাইল চিত্র।

পুকুর জবরদখলের অভিযোগ উঠল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। সেই পুকুরের মাছ গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলি করে দিল পুলিশ। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন। তিনি জানান, পুকুরটি ইজারা নিয়েছিলেন তিনি। এখনও ইজারার মেয়াদ শেষ হয়নি। পুলিশ গিয়ে তাঁর পুকুরের এক লক্ষ টাকার মাছ গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইজারার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

বিধায়ক হুমায়ুন জানান, তাঁর ইজারা নেওয়া পুকুরে বৃহস্পতিবার সকালে মাছ ধরছিলেন জেলেরা। সেই সময় শক্তিপুর থানার ওসি অতনু দাস বিশাল পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এলাকায় যান। তিনি জেলেদের ধরা ১ লক্ষ টাকার মাছ গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলিয়ে দেন বলে অভিযোগ। হুমায়ুনের আরও দাবি, তিনি ওই পুকুরটি ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেছিলেন। ইজারার মেয়াদ রয়েছে ২০৩২-৩৩ সাল পর্যন্ত। তাঁর দাবি, ওই পুকুরের মালিকানা পলাশির বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলের মালিক খৈতান অ্যান্ড কোম্পানির হাতে রয়েছে। সেখানে পুলিশ-প্রশাসনের হস্তক্ষেপের কোনও অধিকার নেই।

যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পুকুরের মালিক ইজারার চুক্তি বাতিল সংক্রান্ত একটি দরখাস্ত প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন। আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং শক্তিপুরে সভা করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র বিধায়ক হুমায়ুন। সেখানে বক্তৃতার সময়ে তাঁর কিছু মন্তব্য উস্কানিমূলক বলে অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং শক্তিপুর থানার জোড়া এফআইআর-ও রুজু হয়। তার প্রেক্ষিতে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়েছে বিধায়ককে। আগামী ৩ জুলাই শক্তিপুর থানায় এবং ৫ জুলাই রেজিনগর থানায় হাজিরার জন্য বলা হয়েছে।

হুমায়ুনের মন্তব্যে বিতর্কের আঁচ পড়ে বিধানসভায় অধিবেশনেও। সোমবার বিধানসভায় বক্তৃতার সময়ে ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পুলিশি ‘অ্যাকশনের’ হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হুমায়ুনকে সংযত হওয়ার জন্যও বলেন। হুমায়ুন যদিও জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে কখনও কিছু বলেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন