অ্যাম্বুল্যান্সে করে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। —নিজস্ব ছবি।
মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে কর্মী-সমর্থকেরা বাড়ি ফিরছিলেন বাসে। জাতীয় সড়কে সেই বাসের সঙ্গে একটি ডাম্পারের সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত পক্ষে ৩৫ জন। তাঁদের মধ্যে সাত জন গুরুতর জখম হয়েছেন।
বুধবার তিনটি নির্বাচনী সভা ছিল তৃণমূলনেত্রী মমতার। তার মধ্যে একটি ছিল মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে। তৃণমূল প্রার্থী প্রণবচন্দ্র দাসের সমর্থনে ভোলাডাঙা আদিবাসী ফুটবল ময়দানে সভা করেন তিনি। সভা শেষে একটি বাসে বাড়ি ফিরছিলেন ৪০-৪৫ জন। নবগ্রামের পমিয়া মোড়ের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সভাফেরত বাসটি। স্থানীয় সূত্রে খবর, জাতীয় সড়কে ডাম্পারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বাসটির। তাতে প্রায় প্রত্যেক যাত্রীই আহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করেছে। আহতদের মধ্যে সাত জনের শারীরিক অবস্থা দেখে তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তাঁরা।
তৃণমূলের একটি সূত্রে খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটির বেশির ভাগ যাত্রী নবগ্রামের রাইন্ডা গ্রামের বাসিন্দা। মমতার নির্বাচনী সভায় গিয়েছিলেন তাঁরা।
মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে বাস এবং ডাম্পারের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। কয়েক জন বাসযাত্রীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহতদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে পাঠানো হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে। কী ভাবে দুর্ঘটনা হল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।