আলিপুরদুয়ার স্টেশন।
আলিপুরদুয়ার ভবনের জন্য সল্টলেকে প্রায় ন’বছর আগে থেকে বরাদ্দ হয়ে রয়েছে চার কাঠা জমি। তার পরেও কলকাতায় আলিপুরদুয়ার ভবন তৈরি করতে সেই সল্টলেকেই ফের নতুন জমির খোঁজ শুরু করলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক পরিতোষ দাস। সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ কলকাতায় বৃষ্টির দিনে বেরিয়ে পড়েছি, সল্টলেকে একটি আলিপুরদুয়ার ভবনের জন্য জমির খোঁজে। পাশেই তৈরি হচ্ছে বর্ধমান ভবন।’
তার পরেই দানা বাঁধে বিতর্ক। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর সল্টলেকের কেবি ২০-তে জেলা পরিষদের জন্য চার কাঠা জমি বরাদ্দ করে৷ সেখানেই জেলা পরিষদের তরফে আলিপুরদুয়ার ভবন তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু মাঝের এই বছরে তা তো হয়নিই, উল্টে সেই জমি দখলের অভিযোগও উঠেছিল। তবে জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, পরে সেই জমি দখলমুক্ত হয়েছে। জেলা পরিষদ কর্তাদের একাংশের সূত্রের আরও দাবি, এখনও সেই জমি তাদের হাতেই রয়েছে। তার পরেও সেই জমিকে ব্যবহার না করে কেন আলিপুরদুয়ার ভবন তৈরির জন্য নতুন জমি খোঁজা হচ্ছে, উঠছে প্রশ্ন।
পরিতোষ অবশ্য বলেন, “আলিপুরদুয়ার থেকে কলকাতায় নানা কাজ বা প্রয়োজনে আসা সাধারণ মানুষের জন্য একটা ভবন করতে চাই। তাই আলিপুরদুয়ার ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা খুঁজতে এ দিন সল্টলেকে গিয়েছিলাম। কিন্তু আলিপুরদুয়ার ভবনের জন্য আগে থেকেই যে সল্টলেকে জমি বরাদ্দ হয়েছে, তা আমাকে কেউ জানাননি।” সূত্রের খবর, পরে বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য চান বিজেপি বিধায়ক। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধার পরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির একাংশও বলছেন, বিধায়কের মতো জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই রাজ করা উচিত।