RSS Programme at Siliguri

সঙ্ঘের কর্মসূচি থেকে চলে যেতে বলা হল তৃণমূল নেতাদের

এই অনুষ্ঠানে ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠ নেতাও গিয়েছিলেন।

রাহুল মজুমদার
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০১:৩৭
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

তৃণমূলের যুব নেতা তথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট বলে পরিচিত জ্যোতি প্রকাশ কানোরিয়ার রাষ্ট্রীয় স্বংয় সেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রারম্ভিক বর্গ অনুষ্ঠানে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে শিলিগুড়িতে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সঙ্ঘের একাংশের আপত্তিতে ওই তৃণমূল নেতাকে অনুষ্ঠান থেকে চলে যেতে বলা হয় বলেও খবর।

সঙ্ঘ সূত্রে খবর, এই অনুষ্ঠানে ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠ নেতাও গিয়েছিলেন। শিলিগুড়ির আশিঘর ফাঁড়ির নরেশ মোড় এলাকায় সারদা শিশু তীর্থ স্কুলে সঙ্ঘের অনুষ্ঠানে ওই তিন জনকে দেখা গিয়েছে। অভিষেক ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে তো প্রাতঃরাশ করিয়ে প্রারম্ভিক বর্গ থেকে চলে যেতে বলা হয়েছে বলে সঙ্ঘের একটা অংশের দাবি।

তাঁকে আগে এক বছর সঙ্ঘের বিভিন্ন রাষ্ট্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকতে বলা হয়েছে। বাকি দুই জনকে সঙ্ঘের কোনও কার্যকলাপের আশপাশে যেতে মানা করা হয়েছে। সঙ্ঘের এক প্রচারক বলেন, ‘‘ওই তৃণমূল নেতাকে এক বছর রাষ্ট্রবাদী কাজ করতে বল হয়েছে। তার পরে বাকিটা দেখা যাবে।’’

এই প্রসঙ্গে জ্যোতি প্রকাশের দাবি, ‘‘আমি শরীর চর্চা করতে ভালবাসি। তাই সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওঁদের একটা নিয়ম আছে। সেটা আমার জানা ছিল না।’’

সঙ্ঘ সূত্রের খবর, এই যুব নেতা উত্তরবঙ্গে অভিষেকের অন্যতম ঘনিষ্ট বলেই পরিচিতি ছিলেন। গত ২৬ জুন আরএসএসের প্রারম্ভিক বর্গের অনুষ্ঠানে তিনি নিজেই যান। রাতে তিনি সারদা স্কুলেই সকলের সঙ্গে ছিলেন। পরের দিন সকালে স্থানীয় এক বিজেপি নেতা তাঁকে চিনতে পারেন। তিনিই গিয়ে বিষয়টি সঙ্ঘের কর্মকর্তাদের জানান। ২৭ জুন সকালে তাঁকে প্রাতঃরাশ করানো হয়। এরপর জানিয়ে দেওয়া হয় তিনি আর প্রারম্ভিক বর্গের অনুষ্ঠানে থাকতে পারবেন না।

এক বছর সঙ্ঘের কার্যালয়ে গিয়ে নিয়মিত রাষ্ট্রবাদী কাজে মন দিতে বলা হয়। তাঁকে চলেও যেতে বলা হয়। আবার ২৮ জুন প্রারম্ভিক বর্গের শেষ দিন ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের আরও দুই তৃণমূল নেতাকে ওই অনুষ্ঠানে দেখা যায়। অনুষ্ঠান শেষে তাঁদেরও সতর্ক করা হয় এবং সঙ্ঘের কোনও কার্যক্রমের আশপাশে যাতে না দেখা যায় সেই বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এই প্রসঙ্গে দার্জিলিং জেলা তৃণমল কংগ্রেসের (সমতল) সভাপতি কুন্তল রায় ফোন না ধরায় বক্তব্য মেলেনি।

আরও পড়ুন