Suri

সেপ্টেম্বরে সিউড়িতে চালু আবর্জনা-জরিমানা

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য পদার্থ পৃথকীকরণের জন্য আগেই শহর জুড়ে নীল ও সবুজ বালতি বিলি করা হয়েছে।

শুভদীপ পাল 
শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০৭:৫৪
রাস্তার ধারে পড়ে আছে আবর্জনা। সিউড়িতে।

রাস্তার ধারে পড়ে আছে আবর্জনা। সিউড়িতে। নিজস্ব চিত্র ।

আবর্জনা ফেলার নিয়ম না মানলে পয়লা সেপ্টেম্বর জরিমানা করবে সিউড়ি পুরসভা। এমনই পুরসভা সূত্রে খবর। যথাস্থানে আবর্জনা না ফেললে জরিমানা দিতে হবে আগেই এমন ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মঙ্গলবার এ নিয়ে শহরের একাধিক ওয়ার্ডে প্রচার চালালেন পুরসভার কর্মীরা।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য পদার্থ পৃথকীকরণের জন্য আগেই শহর জুড়ে নীল ও সবুজ বালতি বিলি করা হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে বালতি ঠিকমতো ব্যবহার করা হচ্ছে না। বরং বাড়ির আবর্জনা রাস্তায়, নর্দমায় ফেলার প্রবণতা রয়েছে। তাই এ বার তা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হল প্রচার।

এ দিন সিউড়ি পুরসভার ২, ১২, ১৩-সহ একাধিক ওয়ার্ডে প্রচার করা হয়েছে। যেখানে, পচনশীল বর্জ্য সবুজ বালতিতে এবং অপচনশীল বর্জ্য নীল বালতিতে ফেলার জন্য বলা হয়। পাশাপাশি, বাড়ির ভাঙা আসবাব বা মাটির জিনিস সংগ্রহের জন্য পুরসভার বিশেষ অভিযান হবে। পাশাপাশি, আবর্জনা রাস্তায় বা নর্দমায় না ফেলে বাড়িতে রাখতে বলা হয়।

পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার লোকজন ভাঙা আসবাব ও মাটির আবর্জনা সংগ্রহের জন্য বাড়িতে যাবে। পরিচ্ছন্নতা নিয়ে এই নির্দেশ না মানলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে জরিমানা করা হবে বলেও প্রচার করা হয়। ১২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরসভার নির্মলসাথী কাজী শর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমরা যতটা সম্ভব মানুষকে বোঝাচ্ছি। অনেকে সচেতনও হয়েছেন। কিন্তু সকলেই হয়েছেন এমন নয়। আমার মনে হয়, জরিমানা করলে সবাই এই নির্দেশ মেনে চলবে।"

জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, "সরকারের নির্দেশ মতো কাজ হচ্ছে।"

আরও পড়ুন