সোমবার বিধানসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। ছবি: সংগৃহীত।
মহিলাদের বিনামূল্যে বাস পরিষেবার জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে ৫৫০ কোটি টাকা। এই উদ্দেশ্যে শীঘ্রই পিঙ্ক কার্ড চালু করা হবে বলে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। ওই সময় থেকে সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ ডিএ কার্যকর হবে।
বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। বাজেটে এই ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।
এক লক্ষ শূন্যপদ নিয়োগ করা হবে। তাতে ৩৩ শতাংশ মহিলা নিয়োগ করা হবে। তার মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ বিভাগ, ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হবে। যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি পদে নিয়োগে ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ইতিমধ্যে ৫ বছর ছাড় দেওয়া হবে। এই সুবিধা পরবর্তী ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে।
রাজ্যে মোট ঋণ রয়েছে ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৯১ কোটি টাকার। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন।
স্বপন বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির মূল স্তম্ভ। রাজ্যের জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে আমাদের। রাজ্য সরকার নাগরিকদের কাছে পৌঁছোতে ‘আপনার সরকার, আপনার পাশে’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।”
রাজ্যে চালু থাকা সকল সামাজিক সুরক্ষাপ্রকল্প অব্যাহত থাকবে। ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির কাছে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রকল্পগুলির প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
রাজ্য বাজেট পেশ করা শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বললেন, “আমরা জাগরিত শক্তির প্রেরণার ভিত্তিতে আমাদের বাজেট রূপরেখা তৈরি করেছি।”
কিছু ক্ষণের মধ্যেই রাজ্য সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে বিধানসভায়। বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের হাতে দেখা গেল পাট এবং মাদুরকাঠি দিয়ে বিশেষ ভাবে তৈরি একটি ফাইল। এই ফাইলেই রাখা রয়েছে বাজেটের নথি এবং সেখান থেকেই বাজেট বক্তৃতা পাঠ করবেন তিনি। চট ও মাদুরকাঠির নকশায় তৈরি ফাইলটি বাংলার ঐতিহ্য ও আত্মনির্ভরতার বার্তা তুলে ধরেছে বলে মনে করছেন অনেকে। চট দিয়ে তৈরি ফাইলটির উপরে মাদুরকাঠি দিয়ে নির্মিত অর্ধচন্দ্রাকৃতি নকশা রয়েছে। ফাইলের ডান পাশে রয়েছে অশোক স্তম্ভের প্রতীক।
বিজেপি সরকারের বাজেট পেশের আগে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও।
পুজো দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। —নিজস্ব চিত্র।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছোলেন বিধানসভায়। কিছু ক্ষণের মধ্যেই রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হবে। ওই বৈঠক শেষে বিধানসভার রাজ্য বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
বিধায়কেরা একে একে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন বিধানসভায়। মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও বিধানসভায় প্রবেশ করতে শুরু করেছেন। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিধানসভায় মন্ত্রিসভার বৈঠক রয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাজ্যের নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হবে বিধানসভায়।
পাটের তৈরি বাজেট ফাইল নিয়ে ইতিমধ্যে বাড়ি থেকে রওনা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। গাড়িতে ওঠার আগে বাজেট নথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সবটাই নতুন বার্তা। এর মধ্যে অনেকটা কন্টিনিউটিও আছে, অনেকটা বদলও আছে। সবটা মিলিয়েই আমরা আগামী দিনে চলব।”
বাজেট পেশের আগে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। লোক ভবনে তোলা ওই ছবিটির সঙ্গে স্বপন লিখেছেন, “বাজেটের আগে তাঁর আশীর্বাদ।”
ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির নতুন সরকার রাজ্যের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কৃষি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে কী ধরনের রূপরেখা গ্রহণ করে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নতুন সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনার দিশা মিলতে পারে এই বাজেট থেকে।
গত বুধবার দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বপন। নীতি আয়োগের ডেপুটি চেয়ারম্যান অশোক লাহিড়ীর সঙ্গেও একপ্রস্ত বৈঠক করেন তিনি। রাজ্য বাজেট পেশের আগে এই জোড়া বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। সোমবার দুপুর ১২টায় বাজেট পেশ করবেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নেতৃত্বে গঠিত সরকারের প্রথম বাজেট কেমন হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে কৌতূহল বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রথম বাজেট পেশ করবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কাছ থেকে রাজ্যবাসীর প্রত্যাশা অনেক। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কতটা প্রতিফলিত হবে নতুন সরকারের এ বারের বাজেটে? রাজ্যকে শিল্পমুখী করতেই বা কী পদক্ষেপ করবে বিজেপির সরকার? সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা নিয়ে থাকবে কি কোনও ঘোষণা? তা নিয়ে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে জনমানসে।