West Bengal Assembly Election 2026

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাস ও মিনিবাস অধিগ্রহণে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জয়েন্ট কাউন্সিলের

সম্প্রতি বাস সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং পরিবহন সচিব সৌমিত্র মোহনের কাছে এই মর্মে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১১
bus

—ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের কাজে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বাস ও মিনিবাস অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানাল, ‘জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট’। সম্প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং পরিবহণসচিব সৌমিত্র মোহনের কাছে এই মর্মে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রাজ্যে যে কোনও নির্বাচনের সময় সরকারি ও নির্বাচন কমিশনের কাজের জন্য ব্যাপক হারে বেসরকারি বাস ও মিনিবাস অধিগ্রহণ করা হয়। তবে এই অধিগ্রহণের সময় বাসের ভাড়া এবং শ্রমিকদের দৈনিক খোরাকির (ভাতা) পরিমাণ নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্য এবং জ্বালানির দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই ভাড়া বাড়ানোর দাবি তুলেছেন বাস মালিকরা।

প্রশাসনের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বাস ভাড়া বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করা হলে, কমিশন বিষয়টি পরিবহণ দফতরের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। আবার পরিবহণ দফতরের কাছে গেলে তারা নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তোলে। এই দুই দফতরের টানাপড়েনে বাসমালিক এবং শ্রমিকেরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন।

জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট জানিয়েছে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা সহযোগিতা করতে আগ্রহী, কিন্তু ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হলে বাসমালিকদের পক্ষে পরিষেবা সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। তাঁরা অবিলম্বে পরিবহণ দফতরের হস্তক্ষেপ এবং ভাড়া ও শ্রমিকদের ভাতার একটি স্থায়ী ও সম্মানজনক সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। এই দাবি পূরণ না হলে নির্বাচনের আগে বাস মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে, যা নির্বাচনী পরিবহণ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন