Suvendu Adhikari PA Death

শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে খুনের নিন্দা করে বিবৃতি দিল তৃণমূল, কোর্টের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি, আর কী বার্তা

আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি, যাতে যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ০১:১৫
(বাঁ দিকে) তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

মধ্যমগ্রামে রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে বিবৃতি দিল তৃণমূল। আদালতের নজরদারিতে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে ভোট-পরবর্তী হিংসার বলি তৃণমূল কর্মীদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রাক্তন শাসকদলের বিবৃতিতে।

Advertisement

তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা করছি। সেই সঙ্গে বিজেপির দুষ্কৃতীদের হাতে ভোট-পরবর্তী হিংসায় তিন জন তৃণমূলকর্মীর মৃত্যুরও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। এ বিষয়ে আমরা কঠোরতম পদক্ষেপ দেখতে চাই। আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি, যাতে যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা যায়। গণতন্ত্রে হিংসা এবং রাজনৈতিক খুনোখুনির কোনও জায়গা নেই।’’

মধ্যমগ্রামে বুধবার রাতে খুন হয়েছেন শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ। অভিযোগ, তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালানো হয়। বাইকে করে এসেছিল দুষ্কৃতীরা। রাত ১২টার পর মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছোন শুভেন্দু। সুকান্ত মজুমদার, শমীক ভট্টাচার্য, অগ্নিমিত্রা পাল, রুদ্রনীল ঘোষেরাও হাসপাতালে গিয়েছেন। বারাসতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিজয় ওঝা রয়েছেন সেখানে।

চন্দ্রনাথের মৃত্যুতে মধ্যমগ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। হাসপাতালের সামনেই বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং র‌্যাফ নামানো হয়েছে। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। মধ্যমগ্রামে সদ্য ভোটে জিতেছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী রথীন ঘোষ। তাঁর লোকেরাই চন্দ্রনাথের খুনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করছেন বিজেপি কর্মীরা। রথীনের গ্রেফতারির দাবিও উঠেছে।

রাত ১টার পর ঘটনাস্থলে যান রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, অপরাধে ব্যবহৃত একটি চার চাকার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির নম্বরপ্লেট ব্যবহার করা হয়েছে। তবে তা ভুয়ো বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া, কিছু গুলি এবং ব্যবহৃত কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে। তদন্ত চলছে।

Advertisement
আরও পড়ুন