Bangladeshi Man set Ablaze

ফের খুন বাংলাদেশে! ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর জ্বালিয়ে দেওয়া হয় শরীয়তপুরের খোকন দাসকে, মৃত্যু শনিবার

প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খোকনকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। তার পরে জখম খোকনের গায়ে পেট্রল-জাতীয় কিছু দ্রব্য ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলার তিন দিনের মাথায় মৃত্যু হল তাঁর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫১
বাংলাদেশি যুবক খোকন দাস। তাঁকে কোপানোর পরে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন একদল উন্মত্ত জনতা।

বাংলাদেশি যুবক খোকন দাস। তাঁকে কোপানোর পরে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন একদল উন্মত্ত জনতা। ছবি: সংগৃহীত।

ময়মনসিংহের পরে এ বার শরীয়তপুর। প্রায় একই ভাবে আরও এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠল বাংলাদেশে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পরে তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল উন্মত্ত জনতা। হামলার তিন দিনের মাথায়, শনিবার হাসপাতালে মৃত্যু হল বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলার খোকনচন্দ্র দাসের।

Advertisement

গত বুধবার রাতে শরীয়তপুরের ডামুড্যা এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী খোকনের উপর হামলা করে একদল জনতা। অভিযোগ, প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় তাঁকে। তার পরে পেট্রল জাতীয় কিছু দ্রব্য তাঁর গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পরে দগ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারাই নিয়ে যান শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে। পরে সেই রাতেই তাঁকে স্থানান্তর করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি ছিলেন। শনিবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর।

বাংলাদেশের তরুণ নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে সে দেশের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চলে। ওই সময়েই ময়মনসিংহে হামলা হয় দীপু দাস নামে এক যুবকের উপর। তাঁকে হত্যার পরে দেহে আগুন জ্বালিয়ে দেয় একদল উন্মত্ত জনতা। দীপুহত্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয় নয়াদিল্লিও। সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত সরকার। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ময়মনসিংহের ঘটনাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই ব্যাখ্যা করছিল।

এরই মধ্যে বাংলাদেশে ফের এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠল শরীয়তপুরে। জানা যাচ্ছে, বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে সারা দিনের রোজগারের টাকা নিয়ে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন খোকন। সেই সময় কয়েক জন তাঁকে আক্রমণ করেন। মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক বার তাঁকে কোপানো হয়। তার পর মাথায় পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচতে নিকটবর্তী পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন এবং দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পুকুর থেকে উদ্ধার করে খোকনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু হামলার তিন দিনের মাথায় মৃত্যু হল সেই খোকনের।

Advertisement
আরও পড়ুন