ইরানের রাজধানী তেহরানে বিস্ফোরণ। —ফাইল চিত্র।
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হল ১৫৩। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই পড়ুয়া। মার্কিন সেনা বলছে তারা এমন একটি ঘটনার খবর পেয়েছে এবং বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছে। তবে ইজ়রায়েলি বাহিনীর দাবি, স্কুল চত্বরে এমন কোনও হামলার কথা তারা জানেই না।
ইরানের মিনাব শহরে রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের ঘাঁটির কাছেই ছিল এই স্কুলটি। শনিবার আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ অভিযানের সময়ে আক্রান্ত হয় মেয়েদের এই প্রাথমিক স্কুলটিও। ওই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গুঁড়িয়ে যায় স্কুলের একাংশ। ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে স্কুলের বহু ছাত্রী-সহ ৮৫ জনের মৃত্যুর খবর মেলে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের সংখ্যা ১৫০ ছাপিয়ে গেল। শনিবারের ওই ঘটনা প্রসঙ্গে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা তাঁরা শুনেছেন। বিষয়টি মার্কিন সেনা খোঁজখবর নিয়ে দেখছে বলে জানান হকিন্স।
আমেরিকার সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের ওই মুখপাত্র আরও বলেন, “সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আমরা সকল ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করব।” তবে ইজ়রায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা এমন কোনও ঘটনার কথা জানেই না। ইজ়রায়েলি সেনার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদভ শোশানি জানান, কোনও স্কুল চত্বরে ইজ়রায়েলি বা আমেরিকান বাহিনীর হামলার কথা তাঁর জানা নেই।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার দাবি করেন, সামরিক অভিযানে ইরানের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা রেড ক্রসের ইরান শাখা জানাচ্ছে, আকাশপথে ওই হামলায় অন্তত ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া ওই সামরিক উত্তেজনায় জখম হয়েছেন অন্তত ৭৪৭ জন।