Iran-Israel Situation

হরমুজ়ে আটকে মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, রাঁচী নিবাসী ৪৭ বছরের ওই ক্যাপ্টেন ২ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি সংস্থার মালিকানাধীন পানামার পতাকাবাহী ‘এএসপি আভানা’ নামের জাহাজটিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরই মাঝে জাহাজটি জ্বালানি ভরার জন্য হরমুজ় প্রণালীতে গিয়েছিল।

সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫২

—ফাইল চিত্র।

ইরান হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় পারস্য উপসাগরে ২০ দিন আটকে থাকার পরে মৃত্যু হল ভারতীয় বাণিজ্যিক নৌবাহিনীর এক ক্যাপ্টেন রাকেশ রঞ্জন সিংহের। প্রণালী থেকে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার বার করে আনার দায়িত্বে ছিলেন রাকেশ। তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে ১৮ মার্চ জাহাজে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ওই ক্যাপ্টেন। পরিবারের দাবি, সময়ে চিকিৎসা পেলে বাঁচানো যেত রাকেশকে। শোকাহত পরিবারের তরফে তাঁর মরদেহ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করার জন্য কেন্দ্র ও ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, রাঁচী নিবাসী ৪৭ বছরের ওই ক্যাপ্টেন ২ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি সংস্থার মালিকানাধীন পানামার পতাকাবাহী ‘এএসপি আভানা’ নামের জাহাজটিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরই মাঝে জাহাজটি জ্বালানি ভরার জন্য হরমুজ় প্রণালীতে গিয়েছিল। তেল বোঝাই করার পরে সেটি ১ মার্চ ভারতের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি। তবে ওই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি সমুদ্রে আটকে পড়ে ।

রাকেশের সহকর্মীরা জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহের বুধবার কর্মরত অবস্থায় হঠাৎই বুকে ব্যথা অনুভব করেন ওই নাবিক। এর পরে তিনি চেয়ার থেকে উল্টে পড়ে যান। জাহাজে থাকা চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করে জানান, রাকেশের অবিলম্বে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন। তাঁর অবস্থার অবনতি দেখে জাহাজের জুনিয়র অফিসাররা দুবাই এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের অনুরোধ জানান । কিন্তু, এলাকায় চলমান সংঘাতের কারণে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে নৌকা করে রাকেশকে দুবাই উপকূলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা ওই ভারতীয় নাবিককে মৃত ঘোষণা করেন। আপাতত হাসপাতালের মর্গেই রাখা রয়েছেতাঁর দেহ।

আরও পড়ুন