Epstein Files

মারা যাওয়ার আগে শেষ ফোন করেছিলেন তাঁকেই! এপস্টিনের প্রেমিকার নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে এল, কী ভাবে হয়েছিল আলাপ

আদতে বেলারুশের বাসিন্দা হলেও নিজের উদ্যোগে প্রেমিকাকে আমেরিকায় নিয়ে এসেছিলেন এপস্টিন। ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে মারা যাওয়ার আগে শেষ ফোনটি প্রেমিকাকেই করেছিলেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২৩
বান্ধবী কারিয়ানা শুলিয়াকের সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিন।

বান্ধবী কারিয়ানা শুলিয়াকের সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের প্রেমিকার নাম-পরিচয় এ বার প্রকাশ্যে এল। আদতে বেলারুশের বাসিন্দা হলেও নিজের উদ্যোগে প্রেমিকাকে আমেরিকায় নিয়ে এসেছিলেন এপস্টিন। ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে মারা যাওয়ার আগে শেষ ফোনটি প্রেমিকাকেই করেছিলেন তিনি।

Advertisement

এপস্টিন ফাইলে ফাঁস হওয়া তথ্য খতিয়ে দেখে ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ জানিয়েছে, এপস্টিনের প্রেমিকার নাম ছিল কারিয়ানা শুলিয়াক। পেশায় তিনি ছিলেন এক জন দন্ত চিকিৎসক। সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীবনের শেষ কয়েকটা বছর এপস্টিনের প্রধান অবলম্বন ছিলেন শুলিয়াকই।

অধুনা ৩৬ বছর বয়সি শুলিয়াকের সঙ্গে বেলারুশের মিনস্কে প্রথম আলাপ হয়েছিল এপস্টিনের। আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন এক রুশ মহিলা, যাঁকে এপস্টিন এবং শুলিয়াক— দু’জনেই চিনতেন। ২০১০ সালে প্রথম আলাপের সময় এপস্টিনের প্রেমিকার বয়স ছিল ২০। প্রেমপর্বের গোড়াতেই এপস্টিন তাঁকে প্রেমিকা হিসাবে পরিচয় দিতেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তার পর তিনি শুলিয়াককে বেলারুশ থেকে আমেরিকায় নিয়ে যান। আমেরিকার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ডেন্টাল কলেজ থেকে দন্তচিকিৎসার পাঠ শেষ করেন শুলিয়াক।

‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, প্রণয়পর্বের শুরুতে এপস্টিনের প্রতি শুলিয়াকের অগাধ আস্থা ছিল। ২০১২ সালে এপস্টিনের বিরুদ্ধে যৌন কেচ্ছার খবর প্রকাশ্যে আসার পরেও প্রেমিকের উদ্দেশে শুলিয়াক লিখেছিলেন, “তুমি সব পুরুষের মধ্যে বিশুদ্ধতম।” পরের দিকে অবশ্য প্রেমিকাকে অনুযোগের সুরে কিছু কথা বলতে দেখা যাচ্ছে এপস্টিনকে। একটি ইমেলে তিনি লিখছেন, “পর্যাপ্ত চুম্বন নেই, পর্যাপ্ত সময় নেই, পর্যাপ্ত যৌনতাও নেই।” একই সঙ্গে শুলিয়াককে পরামর্শ দেওয়ার সুরে এপস্টিন বলছেন, “অন্য মেয়েদের সঙ্গে আমায় দেখে হিংসা কোরো না।” এপস্টিনের অবর্তমানে ওই যৌন অপরাধীর বিপুল সম্পত্তির একাংশের (প্রায় ১০ কোটি ডলার অর্থমূল্যের) মালিকানা এখন শুলিয়াকের হাতেই রয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন