Jeffrey Epstein File

রুশ মহিলাদের শয্যাসঙ্গী হওয়ার পর যৌনরোগ হয় বিল গেটসের! নতুন প্রকাশিত এপস্টিন ফাইলে মাস্ক, মামদানির মায়ের নামও

নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলির মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু ইমেলও। নিজেই নিজেকে এই ইমেলগুলি করেছিলেন এপস্টিন। সেই রকমই একটি ইমেলে দাবি করা হয়েছে, রুশ মহিলাদের শয্যাসঙ্গী হওয়ার পর যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেনমাইক্রোসফ্‌ট প্রতিষ্ঠাতা গেটস।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:০৬
(বাঁ দিক থেকে) বিল গেটস, জেফ্রি এপস্টিন এবং ইলন মাস্ক।

(বাঁ দিক থেকে) বিল গেটস, জেফ্রি এপস্টিন এবং ইলন মাস্ক। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত আরও কিছু ফাইল প্রকাশ করল আমেরিকার বিচার বিভাগ। পূর্বপ্রকাশিত ফাইলগুলির মতো নতুন ফাইলগুলিতেও বিশিষ্টজনেদের নাম রয়েছে। এই ফাইলগুলিতে নাম রয়েছে ইলন মাস্ক, বিল গেটস, নিউ ইয়র্কের মেয়র জ়োহরান মামদানির মা মীরা নায়ারের।

Advertisement

নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলির মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু ইমেলও। নিজেই নিজেকে এই ইমেলগুলি করেছিলেন এপস্টিন। সেই রকমই একটি ইমেলে দাবি করা হয়েছে, রুশ মহিলাদের শয্যাসঙ্গী হওয়ার পর যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন শিল্পপতি তথা মাইক্রোসফ্‌ট প্রতিষ্ঠাতা গেটস। তার পর নাকি তিনি গোপনে স্ত্রী মিলিন্দা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াতে চেয়েছিলেন! যদিও এই সমস্ত দাবি খারিজ করে দিয়েছেন গেটস।

গেটসের এক মুখপাত্রের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এগুলি পুরোপুরি মিথ্যা। ওই মুখপাত্রের পাল্টা দাবি, গেটসের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করতে না-পারায় হতাশা থেকে এই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন এপস্টিন।

নতুন প্রকাশিত ফাইলে এ-ও দাবি করা হয়েছে, ২০০৯ সালে নিজের সিনেমা ‘আমেলিয়া’-র প্রচারে আর এক যৌন অপরাধী ঘিসলাইন ম্যাকওয়েল আয়োজিত একটি নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন মামদানির মা মীরা।

শুক্রবার আমেরিকার বিচার দফতর এপস্টিন ফাইলের ৩০ লক্ষ পাতা প্রকাশ্যে এনেছে। তার মধ্যে রয়েছে ২০০০ ভিডিয়ো। ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। এর আগে প্রকাশিত ফাইলগুলোয় এপস্টাইনের সঙ্গেই দেখা গিয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনকে। প্রসঙ্গত, এপস্টিনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা অস্বীকার করেননি ট্রাম্প। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে গত নভেম্বরে এপস্টিন সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০০৮ সালে এপস্টাইনের বিরুদ্ধে নাবালিকা ধর্ষণ ও নিগ্রহের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। ২০১৯ সালের অগস্টে গ্রেফতারির মাসখানেকের মাথায় জেলেই আত্মহত্যা করেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন