(বাঁ দিকে) শাহবাজ় শরিফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
আমেরিকায় গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। কখনও ট্রাম্পকে ‘শান্তিমানব’ বলে অভিহিত করলেন। কখনও বললেন ‘দক্ষিণ এশিয়ার রক্ষাকর্তা’!
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের গড়া শান্তি পরিষদ (বোর্ড অফ পিস)-এর সদস্যদের প্রথম বৈঠক ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজ়ার পুনর্গঠনের জন্য এই ‘বোর্ড অফ পিস’ গঠন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওই বৈঠকে যোগ দিয়ে শাহবাজ় আরও এক বার ভারত-পাক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব দেন ট্রাম্পকে। বলেন, “আপনার সময়োচিত এবং কার্যকরী হস্তক্ষেপে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি হয়। এর ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছিল।
এখানেই থামেননি শাহবাজ়। ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আপনি সত্যিই শান্তিমানব হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। আপনি সত্যিই দক্ষিণ এশিয়ার এক জন রক্ষাকর্তা।”
সদস্য এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র মিলিয়ে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অফ পিস’-এর বৈঠকে মোট ৪৭টি দেশের প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন। পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন আমেরিকায় নিযুক্ত ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ এনসি খাম্পা। বৈঠকে ট্রাম্প আবার ‘অপারেশন সিঁদুর’-পরবর্তী ভারত-পাকিস্তান সামরিক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেন। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের নাম করে তাঁর মন্তব্য, ‘‘তিনি (পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী) আমাদের চিফ অফ স্টাফের সামনে বলেছিলেন যে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের এবং ভারতের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে আড়াই কোটি জীবন বাঁচিয়েছেন’।’’ তাঁর ২০০ শতাংশ শুল্ক-হুমকিতে নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ নিরস্ত হয়েছিল বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে অসংখ্য বার ট্রাম্প ভারত-পাক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন। পাকিস্তানও সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব ট্রাম্পকেই দিয়েছে। তবে ভারতের তরফে প্রতি বারই স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, সংঘর্ষবিরতির ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনও পক্ষের কোনও ভূমিকা ছিল না।