Punch-Momo

‘তুমি মায়ের মতোই ভাল’, ছোট্ট পাঞ্চকে ‘স্নেহ চুম্বন’ করা মোমো আসলে ‘দিদি’! প্রেমিকা নয়

মোমো ও পাঞ্চ বেশ কয়েক দিন ধরেই ধীরে ধীরে কাছে এসেছিল। তাদের দেখা যায় একসঙ্গে ছুটতে, মারামারি, আদর ও খুনসুটি করতে। স্নেহ চুম্বন করতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ০৫:৪৩
দু’জনে।

দু’জনে। ছবি: সংগৃহীত।

পাঞ্চ-কুন। বিশ্ব জুড়ে পাঞ্চ নামেই পরিচিত সে। জন্মের পরে মায়ের ভালবাসা না পেলেও পৃথিবী জুড়ে মানুষের জয় করেছিল সে। মোমো চান, যে ‘মোমো’ নামেই পরিচিত সে নাকি পাঞ্চের প্রেমিকা। নেটাগরিকেদের দাবি এমনটাই। কিন্তু মোমো তো পাঞ্চের দিদি।

Advertisement

মায়ের থেকে দূরে সরতে বাধ্য হওয়া পাঞ্চের সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিল ‘নরম খেলনা’ ওরাং ওটাং। বিশ্বাসযোগ্য আরও এক জন ছিলেন। তিনি জাপানের ইচিকাওয়া শহরের চিড়িয়াখানার কর্মী কোসুকে শিকানো। তাঁকে দেখলেই গায়ে ঝাঁপ দিয়ে পড়ত খুদে বাঁদর। পাঞ্চকে পুতুলটি উপহার দিয়েছিলেন কোসুকেই। বেশ কয়েক মাস পরে চিড়িয়াখানার বাঁদরকুল কাছে টেনে নিয়েছিল খুদে পাঞ্চকে।

পাঞ্চকে জল পান করতে সাহায্য করছে মোমো।

পাঞ্চকে জল পান করতে সাহায্য করছে মোমো। ছবি: সংগৃহীত।

মোমো ও পাঞ্চ বেশ কয়েক দিন ধরেই ধীরে ধীরে কাছে এসেছিল। তাদের দেখা যায় একসঙ্গে ছুটতে, মারামারি, আদর ও খুনসুটি করতে। স্নেহ চুম্বন করতে। দু’জনেই একসঙ্গে থাকে এখন। পাঞ্চের মতোই মোমোও ম্যাকাক প্রজাতির বাঁদর। দু’জনের ঠিকানা একই চিড়িয়াখানা। পার্থক্য বলতে পাঞ্চ ছেলে আর মোমো মেয়ে। পাঞ্চের বয়স প্রায় সাত মাস। মোমোর বয়স প্রায় পাঁচ বছর।

পাঞ্চের প্রিয় খেলনার সঙ্গে দিদি ও ভাই।

পাঞ্চের প্রিয় খেলনার সঙ্গে দিদি ও ভাই। ছবি: সংগৃহীত।

ম্যাকাক প্রজাতির বাঁদর সাধারণত ‘সাবালক’ বা ‘সাবালিকা’ হয় সাড়ে তিন থেকে পাঁচ বছরে। সেক্ষেত্রে পাঞ্চ অনেকটাই ছোট। তাই এই বসন্তে খুদে পাঞ্চ ‘দিদি’ পেল, ‘প্রেমিকা’ নয়। নতুন সম্পর্কের মাঝেও সে ভুলে যায়নি তার একাকীত্বের সময়ের ‘ওরাং ওটাং’কে। অন্য কারও সঙ্গে এক সময়ের ‘একমাত্র সম্বল’কে ভাগ করতে না চাইলেও মোমোর সঙ্গে নির্দ্বিধায় তা ভাগ করে নিয়েছে আদুরে পাঞ্চ।

Advertisement
আরও পড়ুন