মুক্ত তাইল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রা। ছবি: রয়টার্স।
জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিন সপ্তাহ আগেই। এ বার তাইল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রা পেলেন ‘রাজকীয় ক্ষমা’। ফলে দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার মামলায় দোষী সাব্যস্ত নেতার সাজার বাকি মেয়াদ মকুব হয়ে গেল।
বিগত কয়েক দশক ধরে তাইল্যান্ডের শাসনভার ছিল শিনাওয়াত্রা পরিবারের হাতে। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির দায়ে ২০২৩ সালে ৮ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল থাকসিনের। কিন্তু তাইল্যান্ডের শীর্ষ কোর্টের সেই রায়দানের দিন থেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যান তিনি। পরে তাঁর সাজার মেয়াদ কমে ১ বছর হয়। কিনতু তার মধ্যেও ৬ মাস নানা অজুহাতে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। শেষে দেশের সুপ্রিম কোর্ট ফের জানায়, ৮ মাস অন্তত কারাগারে থাকতেই হবে থাকসিনকে। কিন্তু রাজকীয় ক্ষমা পাওয়ায় নিশ্চিন্ত হলেন তিনি।
গত ১১ মে ব্যাঙ্ককের ক্লং প্রেম কারাগার থেকে বেরোতে দেখা গিয়েছিল ধনকুবের থাকসিনকে। পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে কারাগারের বাইরে তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য ছিলেন থাকসিন-কন্যা তথা সে দেশের আর এক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন শিনাওয়াত্রাকেও। থাকসিনের দলের প্রচুর সমর্থকও সে দিন কারাগারের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন। জেল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আমি শীতঘুমে চলে গিয়েছিলাম, এখন কিছু মনে করতে চাই না।’’ পরে তাইল্যান্ড সরকার জানিয়েছিল, প্যারোলে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।