US-Iran Conflict

ইরাকে আমাদের বিমান কেউ গুলি করে নামায়নি! ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর দাবি ওড়াল মার্কিন বাহিনী, ঘটনায় নিহত চার

যুদ্ধবিমানে মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরার কাজে ব্যবহৃত কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমান বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে ভেঙে পড়ে। তার পরেই ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য ইসলামিক রেজিসট্যান্স ইন ইরাক’ এই ঘটনার দায়স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। তবে আমেরিকা অন্য কথা জানাল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৪
US on KC-135 refuelling plane crash over Iraq

মার্কিন বায়ুসেনার বিমান কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার। — ফাইল চিত্র।

নিছক দুর্ঘটনার জেরেই ইরাকে মার্কিন বিমান ভেঙে পড়ে। কেউ ওই বিমানটিকে গুলি করে নামায়নি। শুক্রবার ইরাকে মার্কিন বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় বিবৃতি জারি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। তারা এ-ও জানিয়েছে, ওই বিমানে থাকা ছ’জনের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি দু’জনের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনও তথ্য দেয়নি আমেরিকা।

Advertisement

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ভেঙে পড়া কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার একটি জ্বালানিবাহী বিমান। ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে বিমান ভেঙে পড়ার নেপথ্যে শত্রুপক্ষের কোনও হাত নেই। গুলি করে নামানোর যে দাবি করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। তবে এই ‘দুর্ঘটনায়’ মৃতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধবিমানে মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরার কাজে ব্যবহৃত কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমান বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে ভেঙে পড়ে। আমেরিকা জানিয়েছিল, দু’টি বিমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের নাম)-র কাজে বন্ধুরাষ্ট্র ইরাকের আকাশপথ ব্যবহার করছিল। একটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করলেও, কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার ভেঙে পড়ে। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য ইসলামিক রেজিসট্যান্স ইন ইরাক’ এই ঘটনার দায়স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। তাদের দাবি, তারাই গুলি করে ওই মার্কিন বিমানটিকে নামিয়েছে। তারা এ-ও দাবি করে যে, ইরাকের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ করেছে তারা। তবে তাদের দাবি উড়িয়ে দিল মার্কিন বাহিনী।

বৃহস্পতিবারের এই ঘটনার পর ইরান-যুদ্ধে আমেরিকার মোট চারটি বিমান ভেঙে পড়ল। এর আগে আমেরিকার বন্ধুরাষ্ট্র কুয়েত ‘ভুল করে’ তিনটি মার্কিন বিমানকে গুলি করে নামিয়েছিল। শুক্রবার মার্কিন বাহিনী বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিমান ভেঙে পড়ার নেপথ্যে শত্রুপক্ষের হাত নেই, কোনও বন্ধুরাষ্ট্রও এ কাজ করেনি।

Advertisement
আরও পড়ুন