Venezuela Crisis

বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন মাদুরো! অপহরণে মার্কিন সেনাকে সহযোগিতা করেছিলেন ভেনেজ়ুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সোমবার জানিয়েছে, অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই ভেনেজ়ুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের!

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৮
ভেনেজ়ুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সঙ্গে নিকোলাস মাদুরো।

ভেনেজ়ুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সঙ্গে নিকোলাস মাদুরো। ছবি: রয়টার্স।

মাত্র কয়েক ঘণ্টার অভিযানে বিনা রক্তপাতে ভেনেজ়ুয়লার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপরহণ করেছিল মার্কিন বাহিনী। উচ্চ নিরাপত্তাবলয়ে ঘেরা ‘সেফ হাউস’ থেকে মাদুরোকে কী ভাবে তুলে নিল— এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সামনে এসেছে ‘ভেতরের আঁতাঁত’-এর ইঙ্গিত।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সোমবার জানিয়েছে, অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই ভেনেজ়ুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের! প্রকাশিত খবরে দাবি, মাদুরোর অবস্থান, নিরাপত্তা বলয় এবং ভেনেজ়ুয়েলা সেনার প্রস্তুতি সম্পর্কে পেন্টাগন ‘আগাম’ এবং ‘নির্ভরযোগ্য তথ্য’ পেয়েছিল। সেই সব তথ্য সরবরাহে প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ এক জনের ‘বিশ্বাসঘাতক’ ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ ক্ষেত্রে সরাসরি ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসাবে কাবেয়োকে চিহ্নিত না-করা হলেও তাঁর সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দাদের কথা স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজ়ুয়েলায় অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনার কমান্ডো বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’। সেই অভিযানের সাঙ্কেতিক নাম ছিল ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজ়লভ’। রাজধানী কারাকাসে হানা দিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তাঁরই প্রাসাদ থেকে সস্ত্রীক অপহরণ করা হয়েছিল। বর্তমানে আমেরিকার জেলে বন্দি রয়েছেন মাদুরো। এই পরিস্থিতিতে ভেনেজ়ুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন ডেলসি রোড্রিগেস। অন্য দিকে, নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী মাদুরোকে অপহরণে রহস্যময় অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল মার্কিন বাহিনী। সেই রকমই দাবি করেছেন ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক সেনাকর্মী। মার্কিন বাহিনীর মাত্র ২০ জন সেনার কাছে কী ভাবে মাদুরোর নিরাপত্তায় থাকা বিশাল বাহিনী কাবু হল, অল্প সংখ্যক সেনার সঙ্গে কেন এঁটে উঠতে পারল না মাদুরো-বাহিনী, সেই প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে ‘রহস্যময় অস্ত্রের’ বিষয়টি জানান ভেনেজ়ুয়েলার ওই সেনাকর্মী। তিনি জানান, ডেল্টা ফোর্সের হামলার কিছু ক্ষণ পরেই জোরালো একটি আওয়াজ শোনা যায়। এতটাই জোরালো যে, মনে হচ্ছিল মাথা ফেটে যাবে। তার পরেই নাক থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে। কারও কারও রক্তবমি শুরু হয়। তার পরেই এক এক করে মাটিতে পড়ে যেতে থাকেন মাদুরোর নিরাপত্তায় থাকা সেনাকর্মীরা।

Advertisement
আরও পড়ুন