স্ত্রী বেগোনা গোমেজ়ের সঙ্গে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো স্যাঞ্চেজ়। — ফাইল চিত্র।
দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো স্যাঞ্চেজ়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ বার সেই মামলায় বিচার শুরু হবে। শনিবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে স্পেনের আদালত। বিচারক জুয়ান কার্লোস পেইনাডোর আশঙ্কা, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন স্যাঞ্চেজ়ের স্ত্রী বেগোনা গোমেজ়। তাই তাঁকে জমা রাখতে হবে পাসপোর্ট। প্রতি দু’সপ্তাহ অন্তর হাজিরা দিতে হবে আদালতে। কবে থেকে বিচার শুরু হবে, তা এখনও জানায়নি আদালত। আদালতের এই রায়ের পরেই বিরোধীরা স্যাঞ্চেজ় সরকারের ইস্তফা দাবি করেছে।
প্রভাব খাটিয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তি সংস্থাকে সরকারি চুক্তি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বেগোনার বিরুদ্ধে। বিচারকের মতে, টাকা নয়ছয়ের অভিযোগগুলির প্রাথমিক ভিত্তি রয়েছে এবং সেগুলি বিচারপর্বে খতিয়ে দেখা হবে। বেগোনা নিজে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন, সেখানে একটি সফটওয়্যার অবৈধ ভাবে ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ। বিচারকের নির্দেশ, যে ব্যবসায়ীকে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন বেগোনা, তাঁরও বিচার হবে।
বেগোনা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্যাঞ্চেজ়ের দাবি, তাঁর বামপন্থী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে বিরোধী রক্ষণশীল দল। ২০১৮ সাল থেকে স্পেনের ক্ষমতায় রয়েছে স্যাঞ্চেজ় সরকার। আগামী বছর সে দেশে নির্বাচন রয়েছে। তার আগে বার বার বিতর্কে জড়িয়েছেন স্যাঞ্চেজ, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক। তাঁর দল সোশালিস্ট পার্টি বিচারকের নির্দেশের সমালোচনা করেছে। দাবি করেছে, বেগোনা নির্দোষ। গত দু’বছর ধরে তাঁকে ইচ্ছাকৃত নিশানা করছেন বিরোধীরা। যদিও স্পেনের বিরোধী দলগুলি নাছোড়। তাদের দাবি, সময়ের আগেই দেশে নির্বাচন করা হোক।