আজ রাতে দিল্লি পৌঁছেছেন বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের নতুন বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পরশু বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। দু’দেশের মধ্যে সই হবে ৪টি সমঝোতাপত্র। এই সমঝোতাপত্র অথবা মউ-এর বিষয়গুলি নিয়েই কটাক্ষ করছেন বিজেপি-বিরোধীরা। 

প্রথম মউ-টি সিবিআইয়ের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত। এই চুক্তির মাধ্যমে সিবিআই-এর প্রশিক্ষণ নেবে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন। সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে বর্তমানে গোটা দেশে প্রবল বিতর্ক চলছে। প্রশ্ন উঠছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির নিরপেক্ষতা নিয়ে। দেশের আসন্ন লোকসভা ভোটে বিরোধীদের প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠতে চলেছে সিবিআই। এমন একটা সময়ে সিবিআই প্রশিক্ষণ দেবে প্রতিবেশী দেশের সংস্থাকে।

দ্বিতীয় সমঝোতাপত্রটি সই হওয়ার কথা নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। এই প্রকল্পটি নিয়ে বিভিন্ন রাজ্য কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছে। বাংলাদেশের গা-ঘেঁষা রাজ্য পশ্চিমবঙ্গই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এই প্রকল্প থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, বছরের পর বছর কেন্দ্র স্বাস্থ্য খাতে তার বরাদ্দ টাকা দিচ্ছে না, এটি চলছে রাজ্যের টাকায়। কিন্তু নাম কিনছে কেন্দ্র।

তৃতীয় চুক্তিটি হবে বাংলাদেশের সরকারি অফিসারদের ভারতে প্রশিক্ষণ নেওয়া সংক্রান্ত। চতুর্থটি বাংলাদেশের মংলা বন্দরের কাছে ভারতের একটি ‘ইপিজেড’ (রফতানি সহায়ক অঞ্চল) তৈরির।