বাদ রইলেন কেবল মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। তিনি ছাড়া বিরোধী বিএনপির জয়ী ৬ সাংসদের ৫ জনই শপথ নিলেন। বৃহস্পতিবার সংসদে এসে শপথ নিয়েছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জয়ী বিএনপি প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদ। সোমবার ছিল ভোটের পরে শপথ নেওয়ার ৯০ দিন সময়সীমার শেষ দিন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের বিএনপি সাংসদ আব্দুস সাত্তার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩-এর হারুনুর রশিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২-এর আমিনুল ইসলাম এবং বগুড়া-৪ আসনের মোশারফ হোসেন এ দিন দুপুরে সংসদে এসে স্পিকার শিরিন শর্মিন চৌধুরীর কাছে শপথ নিয়েছেন। 

বিএনপির সাংসদেরা দলের নির্দেশে শপথ নিয়েছেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার শপথ নেওয়ার পরে জাহিদুর রহমানকে দল-বিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কার করে বিএনপি। এ দিনও দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি জানান, শপথ না-নেওয়াই বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত। সরকার জয়ীদের চাপ দিচ্ছে। কিন্তু তার পরেও কেউ শপথ নিলে তা দল-বিরোধী কাজ হবে। দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই শপথ নেওয়ায় সাংসদ জাহিদুর রহমানকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। তবে জাহিদুর দলের কাছে ক্ষমা চাওয়ায় শাস্তি প্রত্যাহার হবে বলে তাঁরা আশাবাদী। বাংলাদেশে ৩০ ডিসেম্বর ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ করে সংসদ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি ও তার শরিক গণফোরাম। নির্বাচনে বিএনপির ৬ ও গণফোরামের ২ প্রার্থী জয়ী হন। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়— ৯০ দিন সময়সীমার মধ্যে জয়ী প্রার্থীরা সাংসদ হিসাবে শপথ না-নিলে কেন্দ্রগুলিকে ‘শূন্য আসন’ বলে ঘোষণা করে ফের ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। গণফোরামের দুই সাংসদ আগেই শপথ নিয়েছেন। তার পরে দু’দফায় শপথ নিলেন বিএনপির ৬ সাংসদের ৫ জন।