যেন একটা অধ্যায়ের শেষ হল। গুলশন হত্যাকাণ্ড দিয়ে যে ভয়াল আর রক্তাক্ত অধ্যায়টা শুরু হয়েছিল, অনেক চেষ্টায় তার মূলচক্রীকে খতম করতে পারল বাংলাদেশের যৌথবাহিনী। স্বস্তির নিশ্বাস সরকারের, প্রশাসনের।

স্বস্তিটা গোপন করলেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আসাদুজ্জামান খান কামাল। সকালে তামিমদের খতম করে বাহিনী। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থলের কাছেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজধানীর গুলশান, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া-সহ বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলায় অর্থ জোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারী তামিম আহমেদ চৌধুরী আজকের অভিযানে নিহত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তামিম চৌধুরী চ্যাপ্টার (অধ্যায়) শেষ হয়েছে”।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, “পুলিশ বাহিনী আর গোয়েন্দাদের কাছে অনেক দিন আগে থেকেই তথ্য ছিল। তারা অনেক পরিকল্পনা করে আজকের এই সফল অভিযান চালাতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযানে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে”

গত পয়লা জুলাই রাতে গুলশানে স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। রাতেই তারা ২০ জনকে হত্যা করে।


এই ঘরেই ছিল জঙ্গিরা। নিজস্ব চিত্র।

ওই দিন রাতে উদ্ধার অভিযানের সময় বন্দুকধারীদের বোমার আঘাতে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। পরের দিন সকালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিহত হয় পাঁচ হামলাকারী।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম আহমেদ চৌধুরী ও সেনাবাহিনীর বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হককে এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং অর্থ ও অস্ত্রের জোগানদাতা বলে চিহ্নিত করেছিল পুলিশ। তামিম ও জিয়াকে গ্রেফতারে সহায়তা করলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও করেছিলেন আইজিপি।

 

আরও পড়ুন...
বাংলাদেশে গুলিতে খতম গুলশন হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড-সহ ৩ জঙ্গি

 

(সৌজন্যে বাংলা ট্রিবিউন)