প্রশাসনিক বৈঠকে অত্যধিক খুচরোর জোগান নিয়ে সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানালেন বাঁকুড়া চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিরা। মমতা বলেন, ‘‘এ নিয়ে আরবিআই-কে চিঠি লিখব। জানি না ওঁরা মানবেন কি না। তবুও চেষ্টা করব।’’

বুধবার বাঁকুড়ার পুলিশ লাইনে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বাঁকুড়া চেম্বারের সাধারণ সম্পাদক মধুসূদন দরিপা বলেন, ‘‘ছোট দোকানদারদের পুরো পুঁজিটাই কয়েন হয়ে গিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যাঙ্ক কয়েন নিচ্ছে না।’’ জেলার লিড ব্যাঙ্ক ইউবিআইয়ের প্রতিনিধির দাবি, ব্যাঙ্কের সব সিন্দুক কয়েনে ভর্তি। আরবিআই-কে ফেরত দেওয়া যাচ্ছে না। তবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কলকাতা দফতরের দাবি, ব্যাঙ্কগুলি কয়েন জমা দিতে আবেদনই করেনি। শীর্ষ ব্যাঙ্কে কয়েন দিলে নোটে বদলে দেওয়া হয় বলেও জানানো হয়েছে।

মধুসূদনবাবুর দাবি, ওডিশা ও কর্নাটকে কয়েনের অভাব রয়েছে। বাড়তি কয়েন সেখানে পাঠানো যায় কি না, মুখ্যমন্ত্রীকে তা খতিয়ে দেখতে আর্জি জানান তিনি। এ নিয়ে রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা হচ্ছে কি না, প্রশাসনের কর্তাদের তা খতিয়ে দেখতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘স্থানীয় ব্যাঙ্ককে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ওদের দিল্লির কথা শুনতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমাদেরই সরব হওয়া দরকার।’’