বিক্রেতার খাতা বলছে এক কথা, ক্রেতার দাবি অন্য। খাতা বলছে, দামি গয়না কিনে দামের বেশিটাই মেটানো হয়েছে নগদে। যাতে আয়কর দফতর আঁচ না পায়। ক্রেতার পাল্টা দাবি, মোটেই তা নয়। পুরো দামই মেটানো হয়েছে কার্ড বা চেকে। নগদের প্রশ্নই নেই! দোকানের মালিকের নাম নীরব মোদী।

পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত নীরবের বিপণির হিসেবের খাতা মেলাতে গিয়ে নানা গরমিল চোখে পড়েছে আয়কর দফতরের। সূত্রের দাবি, তাঁর বিপণির বেশ কিছু ক্রেতা বড় কেনাকাটার দাম মিটিয়েছেন দু’ভাবে। হিরের গয়নার দামের একটি অংশ ক্রেডিট কার্ড বা চেকে দিলেও, বড় অংশই মেটানো হয়েছে নগদে। এ ধরনের ৫০ ক্রেতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে লিখিত জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে ক্রেতাদের কাছে। অধিকাংশেরই দাবি, তাঁরা নগদে লেনদেন করেনি। যদিও আয়কর দফতরের দাবি, একটি বিপণিতে কত টাকার গয়না ঢুকছে, শেষ পর্যন্ত সেগুলি কত টাকায় কোন দিন বিক্রি হয়েছে ও কারা কিনেছেন, তার বিচার করলেই গোলমাল ধরা পড়ছে। দফতর সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তিরা ২০১৪-১৫ সালে যে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন, তা পরীক্ষা করলেই সত্যি সামনে আসবে।