ভোটের মুখে বুধবার বিকেলে নগদ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ব্যাগ-সহ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে বেসরকারি সংস্থার এক কর্মীকে আটক করার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মেট্রো সূত্রের খবর, কর্তব্যরত আরপিএফ কর্মী ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে মেট্রোর পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিকে চারু মার্কেট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে খবর। পুলিশ অবশ্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে পরে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়। 

 মেট্রো সূত্রে খবর, এ দিন বিকেলে রবীন্দ্র সরোবর থেকে মেট্রো ধরার জন্য ব্যাগ নিয়ে প্ল্যাটফর্মে ঢুকছিলেন এক ব্যক্তি। তাঁকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় কর্তব্যরত আরপিএফ কর্মীরা জানতে চান ব্যাগে কী রয়েছে। পরে ওই ব্যক্তিকে স্টেশন মাস্টারের ঘরে নিয়ে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাগে নগদে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আছে। একটি সংস্থার অফিসে ওই টাকা তাঁর জমা দেওয়ার কথা বলে মেট্রো কর্মীদের জানান ওই ব্যক্তি। কিন্তু তাঁর পক্ষ থেকে যে সব ‘প্রমাণ’ তুলে ধরা হয়, তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্বাচনের সময়ে কোনও ‘ঝুঁকি’ না নিয়ে তাঁরা চারু মার্কেট থানার পুলিশের হাতে ওই ব্যক্তিকে তুলে দেন। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেই নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়েছে। নিয়মানুযায়ী, ১০ লক্ষ টাকার বেশি কেউ সঙ্গে নিতে পারবেন না। তবে কোনও জরুরি ক্ষেত্রে বিশাল পরিমাণ টাকা নিয়ে যেতে হলে তার প্রমাণ প্রয়োজন। মেট্রোতেও এ নিয়ে কড়া নজরদারি চলছে বলে জানান এক কর্তা।

তবে জট কাটে থানায় গিয়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার টাকা নিরাপদে ব্যাঙ্কে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে এমন একটি সংস্থার কর্মী ওই ব্যক্তি। এ দিন দেরি হয়ে যাওয়ায় সংস্থার নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার না করে মেট্রোয় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। পরে চারু মার্কেট থানার পুলিশ সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখে তাঁকে ছেড়ে দেন। 

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

অন্য দিকে, নগদ ৮০ লক্ষ টাকা-সহ তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে আয়কর দফতর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এ দিন বিরাটি বাসস্ট্যান্ড থেকে বারাসতের বাসিন্দা ওই তিন জনকে ধরা হয়। তাঁরা কোথা থেকে এই টাকা পেয়ছেন এবং এই টাকা কী কাজে ব্যবহার করবেন, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।