পুলিশের উপরে হামলা। এ বার থানায়। ঘটনাস্থল বাগুইআটি থানা। আগেও এই থানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে, তবে এ বারে অভিযোগ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করা হয়েছে সাত জনকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে মারধর, সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের বারাসত আদালতে তোলা হলে চোদ্দ দিনের জেল হেফাজত হয়।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোরে দু’দফায় ঘটেছে এই ঘটনা। পুলিশ জানায়, বাগুইআটি থানা এলাকার নারায়ণতলার একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন কয়েক জন বিপিও কর্মী। নিজেদের মধ্যে জল ছুড়ে মজা করছিলেন তাঁরা। দোকানের কয়েক জন ওই যুবকদের থামতে বললে বচসার শুরু। এর পরেই সেখানে জটলা তৈরি হয়। এগিয়ে যান বাগুইআটি থানার টহলদারি পুলিশ। যুবকদের কয়েক জন পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে থানায় হাজির হন আটক যুবকের বন্ধুরা। তাঁদের কয়েক জন বিপিও কর্মী। অভিযোগ, তাঁদের দাবি, আটক দু’জনকে ছেড়ে দিতে হবে।
পুলিশ জানায়, সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি কর্মীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে। তাই থানা থেকে জামিন হবে না। এর পরেই সুরক্ষায় থাকা কনস্টেবলকে ধাক্কা মারে যুবকেরা। অভিযোগ, থানায় ঢুকে কাগজপত্র লণ্ডভণ্ড
করে দেয়। পালাতে গেলে পাঁচ জনকে ধরে পুলিশ।

বিধাননগর পুলিশের ট্র্যাফিক দফতর যান নিয়ন্ত্রণে সক্রিয়তা দেখাতে গিয়ে বার কয়েক আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশকর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারেরা। ফের এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই সময়ে কর্মীদের অনেকেই বাইরে ডিউটিতে ছিলেন। ফলে থানায় কর্মী কম ছিল। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। অভিযুক্তদের অধিকাংশকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।