• কৌশিক ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মেরামতিতে প্রথমেই নাম বাঘা যতীন উড়ালপুলের

flyover
অপেক্ষায়: আগামী মাসেই সংস্কারের কাজ শুরু হতে পারে বাঘা যতীন উড়ালপুলে। ছবি: রণজিৎ নন্দী

Advertisement

উড়ালপুলের মেরামতির তালিকায় প্রথমেই রয়েছে বাঘা যতীন উড়ালপুলের নাম।

সম্প্রতি শহরের যে ক’টি সেতু এবং উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে তার রিপোর্ট নিয়ে কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করেছেন। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঘা যতীন উড়ালপুলের কাঠামোজনিত সমস্যা রয়েছে। ফলে ওই উড়ালপুলটিকেই মেরামতির জন্য সবার আগে প্রাধান্য দিতে চায় কেএমডিএ।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে চালু হওয়ার পর থেকে তিন বার চাঙড় খসে পড়েছিল বাঘা যতীন উড়ালপুল থেকে। গত বছর জুলাইতে শেষ বার ওই উড়ালপুল থেকে চাঙড় খসে পড়ে। কেএমডিএ সূত্রে খবর, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গিয়েছে বাঘা যতীন উড়ালপুলের কয়েকটি স্তম্ভের কাঠামোর পরিবর্তন প্রয়োজন। ফেব্রুয়ারিতেই কাজ শুরু হবে বলেই কেএমডিএ জানিয়েছে। এবং বাঘা যতীন উড়ালপুলের পরেই অন্য উড়ালপুলের কাজ শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

আধিকারিকেরা জানান, এর পরে ধীরে ধীরে অরবিন্দ সেতু, কালীঘাট সেতু এবং শিয়ালদহ উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ হবে। তাঁরা জানান, প্রথম পর্যায়ে যে ১০ টি উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে সেগুলি কী ভাবে মেরামতি করা হবে, তার প্রযুক্তি নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করা সংস্থাগুলির পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।

উড়ালপুলগুলির মেরামতির কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে কেন?

কেএমডিএ-র আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, উড়ালপুল বা সেতুর কোথায় কী ভাবে মেরামতি হবে তার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন। কারণ, এই ধরনের কাজ আগে করা হয়নি। তাই, সেতু বিশেষজ্ঞ কমিটি ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থা যারা এই ধরনের সেতু মেরামতির কাজ করে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করতেই সময় লাগছে।

টালা সেতু ভাঙা পড়বে। তাই উত্তর কলকাতার চিৎপুর উড়ালপুলের মেরামতির কাজ চলছে। কেএমডিএ সূত্রে খবর, স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে উত্তর কলকাতার অরবিন্দ সেতুর ‘বেয়ারিং’ খারাপ হয়েছে। সেগুলির পরিবর্তন প্রয়োজন। ওই সেতুর প্রায় ১৫ টি ‘বেয়ারিং’ পরিবর্তন করতে হবে। কোন পদ্ধতিতে দ্রুত কাজ করা যাবে তা নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন আধিকারিকেরা। এ ছাড়াও কালীঘাট উড়ালপুলের একাংশের স্তম্ভ নতুন করে পাল্টানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে। ফাটল ধরা পড়ায় উল্টোডাঙা উড়ালপুলেও মেরামতির কাজ চলছে। চেতলার লকগেট সেতুও নতুন করে ভেঙে তৈরি করতে হবে। আগামী পাঁচ বছর নির্মাণকারী সংস্থা চিংড়িঘাটা উড়ালপুল রক্ষণাবেক্ষণ করবে। তার পরে ওই উড়ালপুল ভেঙে নতুন করে তৈরি করা হতে পারে।

কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছেন, শিয়ালদহ উড়ালপুলের অল্পবিস্তর মেরামতির প্রয়োজন রয়েছে। হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর অবস্থা আপাতত সন্তোষজনক বলেও দাবি কেএমডিএ-র।

প্রথম পর্যায়েই দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশের কাছে রাস্তা বন্ধ রাখার ব্যাপারে চিঠি দিলেও এখনও সবুজ সংকেত মেলেনি। ফলে, কবে কাজ শুরু করা হবে তা আপাতত বলা সম্ভব নয় বলে কেএমডিএ-র তরফে জানানো হয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন