বাইক থামিয়ে এক যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠল। বুধবার রাতে সোনারপুর বাইপাসের কাছে কৌশিক গায়েন নামে ওই যুবককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়, এমনই অভিযোগ করেছেন কৌশিকের বন্ধু সুভাষ দলুই। এই মুহূর্তে ওই যুবক গুরুতর জখম অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সুভাষ জানিয়েছেন, তাঁরা দু’জনে বিশ্বকর্মা পুজোর একটি অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন। তাঁর দাবি, বাইপাসের কাছে তাঁদের বাইক আটকায় একদল যুবক। তার পর আচমকাই কৌশিককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এক যুবক। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়তেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এমনটাই দাবি করেছেন সুভাষ।

কী কারণে কৌশিককে লক্ষ্য করে গুলি করা হল? তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। সুভাষের বক্তব্যেও অসঙ্গতি রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। বাইপাসের কাছে যেখানে ঝামেলা হয়েছে বলে সুভাষ দাবি করছেন, সেই জায়গা চিহ্নিত করতে প্রথমে অস্বীকার করেন তিনি। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশকে তিনি পাল্টা জানান, আগে তাঁর বন্ধুর চিকিৎসা জরুরি। বৃহস্পতিবার সকালে অবশ্য সুভাষ জায়গাটি চিহ্নিত করেন। তাতে জানা যায়, ওই এলাকা সোনারপুর থানার অন্তর্গত। পুলিশ এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞেসাবাদ করলে, তাঁরা ওই রাতে কোনও গুলির আওয়াজ শোনেননি বলে দাবি করেন।

আরও পড়ুন: বিনা ছাড়পত্রে উদ্বোধনে ডাক কেন? ডেউচায় না যেতে মোদীকে আর্জি বিজেপি সাংসদের

এ দিন সুভাষ আরও দাবি করে, বুধবার রাতে কাপড়ে মুখ ঢাকা অবস্থায় দু’জন মারপিট করছিলেন ওই এলাকায়। সেই সময় তাঁরা বাইকে করে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পর তিনি কৌশিককে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হলে, পরে সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। পুলিশ সূত্রে খবর, কৌশিকের বাড়ি বিষ্ণুপুরে। তিনি আবগারি দফতরে চুক্তির ভিত্তিতে কাজ করেন। কৌশিক সুস্থ হলে ঠিক কী ঘটনা ঘটে ছিল, তা জানার চেষ্টা করবে পুলিশ, এমনটাই সূত্রে খবর।