• শমীক ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বেআইনি ভাবে রাখা গাড়ি বিক্রির নিদান কোর্টের

HC
ফাইল চিত্র।

বেআইনি পার্কিংয়ে থাকা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তা বিক্রি করে দিতে হাওড়া থানার পুলিশকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার ওই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।

হাওড়ার রাউন্ড ট্যাঙ্ক লেনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেআইনি পার্কিংয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় একাধিক বহুতলের বাসিন্দা অসুবিধায় পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। স্কুল-কলেজ, অফিসযাত্রীরা বাড়ি থেকে বেরোতে অসুবিধায় পড়ছেন, এমনই অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দা পুরণমল আগরওয়াল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

তাঁর আইনজীবী সর্বানন্দ সান্যাল জানান, মামলার আবেদনে বলা হয়, বেআইনি পার্কিং নিয়ে হাওড়া থানায় একাধিক বার জানানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, রাত আটটা-ন’টা থেকে পরদিন সকাল আটটা-সাড়ে আটটা পর্যন্ত ওই রাস্তার নির্দিষ্ট অংশে একাধিক গাড়ি থাকে। সেগুলি এমন ভাবে রাখা যে বিভিন্ন বহুতলের মূল গেট কার্যত খোলা যায় না। ফলে স্কুলগাড়ি ঢুকতে না পারায় বেশির ভাগ দিন পড়ুয়ারা সময়ে পৌঁছতে পারে না।

ওই আইনজীবী জানান, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বিচারপতি বসাক পুলিশকে নির্দেশ দেন, মামলাকারীর অভিযোগ খতিয়ে দেখে আদালতে রিপোর্ট পেশ করতে। মাস কয়েক আগে পুলিশ রিপোর্টে জানায়, বেআইনি পার্কিংয়ের কমপক্ষে দশটি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। বেআইনি পার্কিং না করতে রাউন্ড ট্যাঙ্ক লেনে মাইকে প্রচারও করা হয়েছে।

এ দিন মামলার পরবর্তী শুনানি ছিল। বিচারপতি বসাক সরকারি কৌঁসুলি বিবেকজ্যোতি বসুর কাছে জানতে চান, ওখানে এখনও বেআইনি পার্কিং হচ্ছে কি না। সরকারি কৌঁসুলি জানান, পুলিশ গাড়ি মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করলেও তা বন্ধ হয়নি।

তা শুনে বিচারপতি বসাক হাওড়া থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন, বেআইনি পার্কিংয়ে থাকা গাড়ি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাজেয়াপ্ত করে ৪৮ ঘণ্টায় সরাসরি বিক্রি করে দিতে। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন, রাতে গাড়িগুলি কী ভাবে থাকছে, পরদিন কখন বেরোচ্ছে ও কী ভাবে বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে, তার ভিডিয়ো করে ২২ নভেম্বর পরবর্তী শুনানিতে আদালতে জমা দিতে।

হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের একটি অংশ জানায়, কলকাতায় বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে যে ভাবে অভিযান হয়, হাওড়ায় তা হয় না। কলকাতার মতো হাওড়ায় কড়া আইন কার্যকর না হলে বারবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন