প্রাক্তনী সম্মেলনে যোগ দিতে বিমানের টিকিট কেটেছিলেন দম্পতি। কলকাতা থেকে ইনদওর যাওয়ার টিকিট হাতেও পেয়েছিলেন এক মাস আগে। সেখানে দু’জনেরই নাম ছিল। যাত্রার দিন ছয়েক আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাকে ফোন করে জানতে পারেন নির্দিষ্ট পিএনআর থেকে স্ত্রীর নাম উধাও। 

শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর টিকিট বাতিল করে ৭৩ বছরের আবাস দাশগুপ্ত একাই চলে যান। তিনি জানান, বিমানের টিকিট কেটেছিলেন এক এজেন্ট মারফত ভ্রমণ সংস্থা থেকে। ফিরে টাকা পেতে সমস্যা হচ্ছিল। অবশেষে পুলিশের সাহায্যে বাতিল টিকিটের টাকা পেয়েছেন। আবাসবাবু জানান, সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ সংস্থার পোর্টালটির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ই-মেলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিমান প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত সিংহকে। 

অভিযোগকারী ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অফিসার। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী বলেন, ‘‘ঠিক ছিল, সস্ত্রীক সম্মেলনে যোগ দিতে ৭ এপ্রিল ইনদওর হয়ে ভোপাল যাব। ৭ মার্চ এজেন্ট মারফত দু’টি টিকিট কেটেছিলাম।’’ তাঁর কথায়, ‘‘প্রথমে দু’জনেরই নাম ছিল। ২ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাকে ফোন করে জানা যায়, ওই পিএনআরে স্ত্রীর নাম বদলে মিসেস চন্দন কুমার হয়ে গিয়েছে।’’ আবাসবাবু জানান, স্ত্রীর নাম ঢোকানোর চেষ্টা করলেও এজেন্ট সাহায্য করেননি।’’

তাঁর আরও দাবি, ফেরার পরে তাঁকে এজেন্ট জানান, বিমান সংস্থা জানিয়েছে বাতিল টিকিটের টাকা সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ সংস্থাকে পাঠানো হয়েছে। এ দিকে নেটে ওই পোর্টালের যে নম্বর দেওয়া রয়েছে সেখানে ফোন করলে শুধুই রেকর্ডেড ভয়েস শোনা যাচ্ছে! বাধ্য হয়ে দমদম ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশের চাপে এজেন্ট ২২ এপ্রিল তাঁকে টাকা ফেরত দেন।