মেয়েকে স্কুলে আনতে গিয়ে তার হাতে ব্যান্ডেজ দেখে আঁতকে উঠেছিলেন বাবা। তখনও কেঁদে চলেছে বছর আড়াইয়ের ছোট্ট শিশুটি। যন্ত্রণায় ছটফট করছে। কী হয়েছে, জানতে চাইতে ওই প্লে-স্কুলের তরফে বলা হয়, খেলতে গিয়ে ছোট্ট মেয়েটির হাতে চোট লেগেছে।

তেমন একটা গুরুত্ব না দিয়ে মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা জয়দীপ দাশগুপ্ত। স্কুল থেকে তাঁকে জানানো হয়েছিল, মেয়ের হাতের চিকিৎসা করানো হয়েছে। কিন্তু, যন্ত্রণা না কমায় তিনি ফের তাকে অন্য চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেই চিকিৎসক জানান, বিষয়টি হেলাফেলা করার মতো নয়। ছোট গুরুতর। শিশুটির হাতের একটি আঙুল বাদও যেতে পারে।

স্কুলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে শিশুটির পরিবারের তরফে। কিন্তু, এখনও পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি তাঁরা। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, শিশুটির চিকিৎসা নিয়েই তাঁরা এখন ব্যস্ত। তার ডান হাতে আঘাত লেগেছে। চিকিৎসক তাঁদের জানিয়েছেন, শিশুটির ‘স্কিন গ্রাফটিং’ করতে অস্ত্রোপচার করতে হবে। শিশুটি এই মুহূর্তে গড়িয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

আরও পড়ুন: সাড়ে ৫ লাখ দিলেই রেলে চাকরি! রেলকর্তার ভিডিয়ো ফাঁস হতেই হুলস্থূল

কী ভাবে ঘটনা ঘটল? এ বিষয়ে শিশুটির পরিবারকে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বাচ্চাটি খেলছিল। হঠাৎ পড়ে গিয়ে ঘটনাটি ঘটে। সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এখানে কোনও গাফিলতির বিষয় নেই।

আরও পড়ুন: খাস কলকাতায় তৈরি হচ্ছিল ভেজাল দুধ! হাতেনাতে গ্রেফতার তিন জন

(কলকাতার ঘটনা এবং দুর্ঘটনা, কলকাতার ক্রাইম, কলকাতার প্রেম - শহরের সব ধরনের সেরা খবর পেতে চোখ রাখুন আমাদের কলকাতা বিভাগে।)