দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে গোলমাল ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। বৃহস্পতিবার রাতে, বিধাননগর পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ছোটগাঁতি এলাকায়। 

এই ঘটনায় বিধাননগর পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা দাস পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন আর একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, তিনি দলীয় কার্যালয়ে মহিলাকর্মীদের সঙ্গে বসেছিলেন। সে সময়ে এলাকার পরিচিত তৃণমূলকর্মী তরুণ ঝা ওরফে রাঘবের নেতৃত্বে বাঁশ-লাঠি হাতে একাধিক কর্মী সেখানে হাজির হন। অভিযোগ, অশ্রাব্য ভাষায় হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি মহিলাকর্মীদের হেনস্থাও করেন তাঁরা। এই ঘটনার পরে রাতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কাউন্সিলর। 

পুলিশ জানায়, কাউন্সিলরের অভিযোগ খারিজ করে রাঘবের পাল্টা অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার দলীয় কার্যালয়ে তাঁদের বসতে দেওয়া হয় না। দলের কাজ করতে দেওয়া হয় না। তাঁর দাবি, এ দিন ওই কার্যালয়ে বিজেপি-র লোকজনকে নিয়ে বৈঠক করছিলেন কাউন্সিলর। তাই তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন। অভিযোগ, প্রতিবাদ করার জন্যই তাঁদের বিরুদ্ধে মারধর, হেনস্থার মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। কাউন্সিলরের অবশ্য দাবি, এ ভাবে বিজেপি-র তকমা লাগিয়ে তাঁদের বদনাম করার চেষ্টা চলছে। 

এই ঘটনার খবর পেয়ে হাজির হন বরো চেয়ারম্যান শাহনওয়াজ আলি মণ্ডল ওরফে ডাম্পি। তিনি জানান, কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। সকলে মিলে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করা হবে। তাঁর বক্তব্য, এমন মারামারি সমর্থনযোগ্য নয়। ঘটনা সম্পর্কে দলের নেতৃত্বকে জানানো হবে। 

ঘটনাটি শুনে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, এমন আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। কারও অভিযোগ 

থাকলে দলে জানাতে হবে। পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিন পুলিশকর্মীরা গেলে গোলমাল নিয়ন্ত্রণে আসে। সব দিক খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে পুলিশ।