• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পুলিশ বলে ভাব জমিয়ে সর্বস্ব লুঠ

police
প্রতীকী ছবি।

হাসপাতালে ভর্তি ভাইপোকে দেখভাল করতে এসেছিলেন কাকা। কিন্তু মঙ্গলবার হাসপাতাল থেকে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। ২৪ ঘণ্টা পরে হাসপাতালেই অর্ধচেতন অবস্থায় খোঁজ মিলল তাঁর। অভিযোগ, পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যক্তি মাদক খাইয়ে তাঁকে অচেতন করে সর্বস্ব লুঠ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

ছাদ থেকে পড়ে হাত ভেঙে গিয়েছিল বাউড়িয়ার দশ বছরের শেখ আলতাফ আলির। রবিবার তাকে মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতে হাসপাতালে ছিলেন আলতাফের কাকা শেখ বাবুলাল ও প্রতিবেশী শেখ তমোজিৎ।

তমোজিৎ জানান, মঙ্গলবার তাঁরা হাসপাতালের সিঁড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন। তখন বছর চল্লিশের এক ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে বাবুলালের সঙ্গে আলাপ জমায়। বাবুলাল জানান, ১১টা নাগাদ ওই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে পিজি-তে যেতে অনুরোধ করেন। তিনিও রাজি হন। বাবুলাল বলেন, ‘‘পিজি-তে ঢোকার মুখে একটি দোকানে শরবত খাই। তার পরে কিছু মনে নেই। কিছুক্ষণ পরে মনে হয়েছিল, প্যান্টের পকেট থেকে কেউ টাকা বার করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হাতে-পায়ে সাড় না থাকায় আটকাতে পারিনি।’’

পুলিশের অনুমান, শরবতে মাদক মেশানো ছিল। যা খেয়ে জ্ঞান হারান বাবুলাল। পুলিশ জানায়, চার হাজার টাকা, রুপোর চেন, মোবাইল খোয়া গিয়েছে। তবে ওই ‘পুলিশ’-এর নাম মনে করতে পারেননি তিনি।

বাবুলালের খোঁজ না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে থানায় অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। বুধবার সকালে মেডিক্যাল কলেজের সিঁড়িতেই বাবুলালকে পাওয়া যায় অর্ধচেতন অবস্থায়। প্রতিবেশী শেখ রফিকুল বলেন, ‘‘ও কিছু মনে করতে পারছে না। কথাও বলতে পারছে না। ডান হাতে সূঁচ ফোটানোর চিহ্ন রয়েছে।’’

পুলিশ জানায়, ওই দু’দিনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। সেখানে থাকা ব্যক্তিদের জেরাও করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, ওই প্রতারককে চিহ্নিত করা গিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে‌ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন