আগামী ২ ও ৩ নভেম্বর ছটপুজোর সময়ে রবীন্দ্র সরোবরের সমস্ত গেট বন্ধ রাখা হবে। শুধু তাই নয়, তার কিছুদিন আগে থেকে সরোবরের দায়িত্ব কলকাতা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে যাতে তারা প্রয়োজনীয় নজরদারি করতে পারে। সোমবার রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো নিয়ে মামলায় জাতীয় পরিবেশ আদালতে এমনটাই জানাল কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ)।

পরিবেশ আদালত সূত্রের খবর, এদিন মামলার শুনানিতে কেএমডিএ-র তরফে জানানো হয়, সরোবরে ছটপুজো যাতে না হয়, সে কারণে সমস্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সরোবরের পরিবর্তে দু’টি আলাদা জলাশয়ে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছটপুজোয় আগত দর্শনার্থীদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাসের ব্যবস্থাও করা হবে। সংস্থার আইনজীবী পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিকল্প জায়গায় সমস্ত ব্যবস্থাই করা হয়েছে।’’ সরোবরে ছটপুজো বন্ধ নিয়ে মামলা করেছিলেন পরিবেশকর্মী সুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর 

আইনজীবী হলেন প্রদীপকুমার দত্ত। সুমিতাদেবী এ বিষয়ে বলেন, ‘‘রবীন্দ্র সরোবরে যাতে কোনও ভাবেই ছটপুজো না হয়, তা কেএমডিএ-কে নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ আদালত তেমনটাই নির্দেশ দিয়েছে।’’

এ দিকে সরোবর নিয়ে একাধিক কমিটি কেন তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও পরিবেশকর্মীদের একাংশের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, ‘‘এতগুলো কমিটি কেন থাকবে? জাতীয় পরিবেশ আদালত শুধু যে কমিটি তৈরি করেছে, সেই কমিটির রিপোর্টই গ্রাহ্য হবে। না হলে সরোবরের দূষণের ব্যাপার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’’ 

অন্যদিকে, সুমিতাদেবীর এ বিষয়ে বক্তব্য, ‘‘কলকাতা হাইকোর্ট যে কমিটি তৈরি করে দিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর নিয়ে সে কমিটিরও দায়িত্ব রয়েছে। সেই কমিটির হয়ে আমরা রিপোর্ট জমা দেব।’’