• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

গাড়ি সরাতে এসে বিগড়োল রেকার

Traffic jam
ফাইল চিত্র।

Advertisement

উড়ালপুলের মাঝখানে খারাপ হয়ে যাওয়া গাড়ি সরাতে গিয়ে বিগড়ে গেল পুলিশের গাড়িও। বুধবার দুপুরে, এজেসি বসু রোড উড়ালপুলের উপরে এই ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটের কবলে পড়ে মা উড়ালপুলও।

ট্র্যাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুর ২-১৫ নাগাদ পার্ক সার্কাস থেকে এজেসি বসু রোড উড়ালপুলে ওঠার কিছুটা পরে একটি গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। সেটি সরাতে ইস্ট ট্রাফিক গার্ড থেকে একটি রেকার আনা হয়। কিন্তু বিকল হওয়া গাড়িটি সরাতে গিয়ে রেকারটিও খারাপ হয়ে যায়। পুলিশ জানায়, তত ক্ষণে এজেসি বসু রোড উড়ালপুলের উপরে পার্ক সার্কাস থেকে ভিক্টোরিয়ামুখী গাড়ির লম্বা লাইন হয়ে যায়। যানজটের প্রভাব পড়ে পার্ক সার্কাস সাত মাথার মোড় ও মা উড়ালপুলেও।

ইস্ট ট্রাফিক গার্ড থেকে দ্বিতীয় রেকার এনে বিকল গাড়িটি সরাতে বিকেল তিনটে পেরিয়ে যায়। জরুরি পরিস্থিতির জন্য সাউথ ট্রাফিক গার্ড থেকে তৃতীয় রেকার আনা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উড়ালপুলের উপরে তিনটি রেকার আসায় ওই এলাকায় যানজট আরও বেড়ে যায়।

তবে বুধবার পুলিশের রেকারও এ ভাবে খারাপ হয়ে যাওয়া নিয়ে বিস্মিত পুলিশেরই একাংশ। পুলিশ সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের আওতায় প্রতিটি ট্রাফিক গার্ডে কমপক্ষে একটি করে রেকার থাকে। কোথাও কোথাও আবার দু’টি করেও রয়েছে। পুলিশের একাংশের অভিযোগ, ‘‘ট্রাফিক গার্ডের রেকারগুলির অধিকাংশই ভাড়া করে আনা হয়। সেই রেকারগুলি ঠিকঠাক রক্ষণাবেক্ষণও হয় না। কলকাতা পুলিশের নিজস্ব রেকার থাকলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’’

যদিও রেকার সংক্রান্ত সমস্যাকে আমল দিতে রাজি নন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (১) বিনীত গোয়েল। তিনি বলেন, ‘‘রেকার একটি যন্ত্র মাত্র। যন্ত্র খারাপ হতেই পারে। ভাড়া করা রেকার বেশি থাকলেও কলকাতা পুলিশের অধীনে নিজস্ব রেকারও রয়েছে।’’ বিনীতবাবুর দাবি, ‘‘বুধবার দুপুরে এজেসি বসু রোড উড়ালপুলে গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ার পরে বেশিক্ষণ যানজট ছিল না।’’ পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার এজেসি বসু রোড উড়ালপুলের উপরে সকাল ছ’টা, আটটা ও বেলা দেড়টায় তিনটি গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। সকালের দিকে সময় যানজট না হলেও দুপুরে যানজটের সৃষ্টি হয়।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন