• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পুজো মিটতেই টালায় তীব্র হল যান-যন্ত্রণা

tallah
সিঁথির মোড়ে অটোর জন্য লাইন। সোমবার। নিজস্ব চিত্র

Advertisement

দুর্গাপুজোর পরে মিটে গিয়েছে লক্ষ্মীপুজোও। দীর্ঘ ছুটির পারে সোমবার, সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই ভারী যানের জন্য বন্ধ থাকা টালা সেতুকে ঘিরে বিস্তীর্ণ এলাকায় ফিরে এল যানজটের ছবি। ফিরল নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তিও। সেই সঙ্গে ফের প্রশ্ন উঠল, টালা সেতুর সমান্তরাল লকগেট উড়ালপুল দিয়ে কেন উভয় দিকে গাড়ি চালানো হবে না? এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, ওই উড়ালপুল দিয়ে উভয় দিকে গাড়ি চালানো গেলে ভোগান্তি অনেকটা কমত। একই সঙ্গে গাড়ির চাপ কমত আর জি কর সেতুর উপরে। ওই এলাকায় যানজটও এত তীব্র হত না।

এ দিন সকাল ১০টা নাগাদ চিড়িয়ামোড়ে গিয়ে দেখা গেল, অটোর লম্বা লাইন। টালা সেতু দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ থাকার জন্য পুলিশ চিড়িয়ামোড় থেকে শ্যামবাজার মোড় পর্যন্ত নতুন অটো রুটের অনুমতি দিয়েছে। সেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা জানালেন, অটো পর্যাপ্ত নয়। ফলে নতুন রুট চালু হলেও দুর্ভোগ কিছু কমেনি। কাজের সূত্রে সিঁথির মোড় থেকে রোজ বাগবাজার যাতায়াত করেন রাজকুমার মাইতি। তিনি বলেন, ‘‘আগে সিঁথির মোড় থেকে বাগবাজার যেতে যেখানে সাকুল্যে সাত-আট মিনিট লাগত, সেখানে এখন লাগছে প্রায় এক ঘণ্টা। বেড়ে গিয়েছে খরচও। এক দিকে যেতেই লাগছে ৩০ টাকার কাছাকাছি।’’ রাজকুমার আরও জানালেন, মাঝে এক বার তিনি সিঁথির মোড় থেকে বাসে শ্যামবাজার যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সময় লেগেছে এক ঘণ্টারও বেশি। কারণ, সেই বাস বেলগাছিয়া রোড ঘুরে আর জি কর রোড ধরছে। আর বেলগাছিয়া রোডে গাড়ি বেড়ে যাওয়ার রোজ মারাত্মক যানজট হচ্ছে।

এ দিন আর জি কর সেতু ও তার লাগোয়া রাস্তায় দেখা গেল, যানজটে আটকে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্সও। আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন এক বৃদ্ধা। তাঁর সঙ্গে থাকা যুবক জানালেন, নাগেরবাজার থেকে বেলগাছিয়া রোড ধরে আসতে এক ঘণ্টা লেগে গিয়েছে। নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, শ্যামবাজার আসার যে বিকল্প রাস্তার কথা পুলিশ বলছে, সেটি অনেক ঘুরপথ। ফলে আখেরে কোনও লাভ হচ্ছে না। তাঁদের বক্তব্য, এর চেয়ে লকগেট উড়ালপুল দিয়ে অফিসের সময়ে এক দিকে বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও সমস্যার খানিকটা সুরাহা হত।

পুলিশকর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, লকগেট উড়ালপুল দিয়ে ভারী গাড়ি চালানো বিপজ্জনক। কারণ ওই উড়ালপুলে দু’টি জায়গা অনেকটা ঢেউ খেলানো। ফলে এক দিক থেকে গাড়ি এলে অন্য দিকের গাড়ি দেখতে পান না চালক। যার জন্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। এর আগেও ওই উড়ালপুলে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাই অত্যন্ত সতর্ক থেকে সেখানে যান নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন