দু’দিনেরও বেশি হয়ে গেল, কলকাতা বিমানবন্দরে দিন কাটছে কেনিয়ার যুবতী ফ্রিদা মঙ্গেরার।

বুধবার রাত পর্যন্ত তাঁকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা যায়নি। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, দিল্লিতে কেনিয়ার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কেনিয়ায় ফ্রিদার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে দূতাবাস। তিনি টিকিট কেটে পাঠালে ওই যুবতীকে কলকাতা থেকে নাইরোবি পাঠানো হবে।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মাঝেমধ্যেই ভারতে আসেন ফ্রিদা। নয়ডায় একটি ঘরও তিনি ভাড়া নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন অভিবাসন অফিসারদের। সেই ফ্ল্যাটে অনেক সামগ্রী রয়েছে। গত দু’দিন ধরে কলকাতা বিমানবন্দরে আটকে থাকার সময়ে তাঁর নয়ডার ফ্ল্যাট থেকে সামগ্রী আনিয়ে দেওয়ার জন্যও বলেছেন ফ্রিদা।

বিমানবন্দর সূত্রের খবর, গত ২৩ অগস্ট ভারতের ভিসা ফুরিয়ে যাওয়ার পরে ওই যুবতী কলকাতা থেকে মায়ানমার যান। উদ্দেশ্য ছিল, ভারতের বাইরে গিয়ে আবার ভারতের ভিসা করানো। কিন্তু সে দিনই তাঁকে ফেরত পাঠানো হয় কলকাতায়। কিন্তু ভারতীয় ভিসা পেতে ফ্রিদা এতটাই মরিয়া
ছিলেন যে, প্রতিবেশী কোনও দেশে গিয়ে আবার ভারতীয় ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে চাইছিলেন। এ দিকে, তাঁর পকেটও ছিল ফাঁকা। সে কারণে তিনি কলকাতায় এক পরিচিতকে দিয়ে কাঠমান্ডুর
টিকিট কাটেন।

কিন্তু কাঠমান্ডু পৌঁছলেও ফ্রিদাকে নেপালে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আবার ২৬ অগস্ট ফেরত পাঠানো হয় কলকাতায়। কেন বার বার ওই যুবতী ভারতে থাকতে চাইছেন, তা নিয়ে গোয়েন্দারা সন্দিহান। আপাতত কেনিয়া দূতাবাসকে দিয়ে তাঁকে নাইরোবি ফেরত পাঠানোই লক্ষ্য তাঁদের।