অফিসারদের গড়িমসিতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কখনও পুরকর্তাদের টেবিলেও পড়ে থাকে ফাইল। এমন অনেক অভিযোগ আসে পুর প্রশাসনের কাছে। অভিযোগ, এর জেরে ভুগতে হয় শহরবাসীকে। তাই এ বার ফাইল চালাচালিতে নজর রাখা শুরু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। এর জন্য আগামী নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ই-ফাইল ট্র্যাকিং। 

পুরসভার এক অফিসার জানান, এই পদ্ধতিতে ফাইল আগের মতোই এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যাবে। তবে প্রতিটি ফাইলের নির্দিষ্ট নম্বর থাকবে। তা আপলোড করা হবে কম্পিউটারে। ওই ফাইলের গতিবিধি দেখতে কম্পিউটারে সংশ্লিষ্ট নম্বরটি দিলেই হবে।

মঙ্গলবার পুর ভবনে ফাইল ট্র্যাকিং নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে হাজির ছিলেন পুর কমিশনার, দুই বিশেষ কমিশনার-সহ সব দফতরের পদস্থ কর্তারা। বৈঠকে বলা হয়, পুরসভার অনেক কাজ সময়ে হচ্ছে না। কারণ একই টেবিলে ফাইল পড়ে থাকছে দীর্ঘদিন। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে পুর কমিশনারকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এর পরেই পুরসভার তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ফাইল ট্র্যাকিংয়ের কথা বলা হয়। এ দিন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ জানান, কাজে স্বচ্ছতা আনতে এই পদ্ধতি শুরু করা হচ্ছে। 

পুরসভার এক আধিকারিক জানান, নতুন পদ্ধতিতে কোনও অফিসারের টেবিলে ফাইল আটকে থাকলে মেয়র, পুর কমিশনার ফাইলের নম্বর দিয়ে সহজেই তা জানতে পারবেন। তখন তাঁর কাছে দেরির কারণ জানতে চাওয়া হবে। এর ফলে ফাইল আটকে রাখার প্রবণতা কমবে বলে মনে করছেন পুরকর্তারা।