স্মার্টফোনে ‘বন্ধু’ অ্যাপ ডাউনলোড করলেই সাধারণ মানুষের মোবাইলে ফুটে উঠবে কয়েকশো পুজোর সরাসরি সম্প্রচার। এ বছর কলকাতা পুলিশ ১৮০০-র মতো পুজোর যাবতীয় তথ্য এবং ছবি সরাসরি তাদের এই অ্যাপের মাধ্যমে দেখাতে চলেছে। থাকছে ওই পুজোগুলির লাইভ শো-এর ব্যবস্থাও। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা ঘোষণা করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার।

পাশাপাশি, এ দিন পুজোর গাইড ম্যাপও প্রকাশ করেছে কলকাতা পুলিশ। এ দিনই সকালে মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার কয়েকটি বড় পুজোমণ্ডপ ঘুরে দেখেন পুলিশ কমিশনার। এর মধ্যে ছিল একডালিয়া এভারগ্রিন, সিংহী পার্ক, দেশপ্রিয় পার্ক, চেতলা অগ্রণী, সুরুচি সঙ্ঘ, নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ, মহম্মদ আলি পার্ক এবং লেবুতলা পার্ক। বেশ কয়েকটি পুজোর উদ্যোক্তাদের কিছু কিছু জিনিস পরিবর্তনের জন্য বলেছেন সিপি। যেমন, চেতলা অগ্রণী ক্লাবকে বলা হয়েছে তাদের পুজোমণ্ডপের উল্টো দিকের রাস্তাটি খুলে রাখার জন্য। প্রসঙ্গত, মাঝেরহাট সেতু ভাঙার পরে চেতলার ভিতরের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে চেতলা অগ্রণীর উল্টো দিকের এই রাস্তাটিও। পুজোয় ওই অঞ্চলের ভিড় সামলাতে কলকাতা পুলিশের তরফে রাস্তাটি খুলে রাখার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনে সা়ড়া দিয়ে ওই ক্লাব জানিয়েছে, তাঁরা তাদের মণ্ডপের উল্টো দিকের রাস্তা খুলে রাখবেন।

এ ছাড়াও এ দিন দেশপ্রিয় পার্কের পুজোমণ্ডপ ঘুরে দেখতে গিয়ে পুলিশ কমিশনার উদ্যোক্তাদের বলেছেন, পার্কের ভিতরে মণ্ডপের সামনে করা একটি নির্মাণ অবিলম্বে খুলে ফেলতে হবে। একই ভাবে ভিড় সামলাতে নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের সামনের রাস্তার পরিসর চওড়া রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। সিপি-র মত, এই কয়েকটি সামান্য পরিবর্তন ছাড়া বাকি পুজো মণ্ডপগুলি ঠিক মতো কাজ করেছে। তাঁর ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো সরকারি ভাবে ১০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয় ক্লাবগুলিকে। পরে বিকেলে লালবাজারে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সিপি। সেখানেই তিনি দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপ, উৎসব অ্যাপ-সহ বার্ষিক ট্র্যাফিক রিভিউ প্রকাশ করেন।